প্রশ্নফাঁস বিতর্কের মাঝেই বিশেষ ঘোষণা করল মহারাষ্ট সরকার। সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভাবে সরকারি পদে নিয়োগের পরীক্ষাগুলি অনলাইন মাধ্যমে নেওয়া হবে। এই ঘোষণা করেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দাদাজী ভুসে।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, অনলাইন মাধ্যমে কী ভাবে পরীক্ষাগুলি নেওয়া হবে, তার পরিকল্পনা করতে বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজেশ অগ্রবালের নেতৃত্ব ওই কমিটি টেট-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা আয়োজনে অন্য দফতরগুলির সাহায্যও নিতে পারে।
টেট প্রশ্নফাঁস তদন্ত সম্পর্কে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, দিল্লি এবং হরিয়ানায় একটি করে এবং বিহারে দু’টি তদন্তকারী দলকে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্তদের সঙ্গে ওই রাজ্যের সংগঠিত চক্রের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।
অন্য দিকে, প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে গাফিলতির অভিযোগে সরকারের সমালোচনা করেছেন কংগ্রেস বিধায়ক বিজয় ওয়াদেট্টিওয়ার। বিধানসভার অধিবেশনে তিনি বলেন, “২০১৮-র প্রশ্নফাঁসের মামলায় মূল অভিযুক্ত অভিষেক সাভ্রিকর এর আগেও এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। তার পর তাঁকে শাসকদলে যোগদান করতেও দেখা গিয়েছে।” শিবসেনার (উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠী) শীর্ষনেতা ভাস্কর যাদবও সরকারের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, “প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে রাজ্যের গরিমা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাতেও ১১ জনের মধ্যে সাত জনই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা।”
এ বিষয়ে বিধানসভার অধিবেশন থেকেই বিজেপি বিধায়ক সুধীর মুঙ্গতিওয়ার অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেন, এই ঘটনায় বহিরাগতদের হাত রয়েছে। বিধায়কের প্রশ্ন, আগরা থেকে প্রশ্ন ছাপিয়ে আনা হয়েছে। ফলে বহিরাগত যোগ রয়েছেই।
সোমবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে বিধানসভার অধিবেশন শুরু আগেই বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী দলের নেতারা।