পিএইচডি-র পরে গবেষণার কাজ করতে চাইছেন? কিন্তু ফেলোশিপ পাচ্ছেন না? এমন আগ্রহী তরুণ গবেষকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র।
অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (এএনআরএফ) তরুণ গবেষকদের কাজে সহায়তা করতে ন্যাশনাল পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ চালু করেছে। ওই ফেলোশিপের অধীনে প্রার্থীরা একজন মেন্টরের অধীনে থেকে স্বাধীন ভাবে গবেষণার কাজ করতে পারবেন।
প্রার্থীদের বিজ্ঞান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার যে কোনও বিষয়ে পিএইচডি, ডক্টর অফ মেডিসিন (এমডি) কিংবা মাস্টার অফ সার্জারি (এমএস) থাকা চাই। চূড়ান্ত বাছাই পর্বের পরে তাঁদের প্রতি মাসে ফেলোশিপ হিসাবে ৮০,০০০ টাকা দেওয়া হবে।
যাঁরা সদ্যই থিসিস জমা দিয়েছেন, তাঁরাও ওই ফেলোশিপের জন্য আবেদনের সুযোগ পেতে পারেন। তবে, এ ক্ষেত্রে ফেলোশিপ হিসাবে ৫০,০০০ টাকা প্রতি মাসে দেওয়া হবে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রার্থীদের বয়স ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। এ ছাড়াও রিসার্চ গ্রান্ট হিসাবে ২ লক্ষ টাকা প্রতি বছর দেওয়া হবে। বাছাই করা প্রার্থীরা মোট দু’বছরের জন্য এই ফেলোশিপ পাবেন।
আরও পড়ুন:
অন্যান্য শর্ত:
- প্রার্থীদের অন্তত দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হওয়া প্রয়োজন।
- যে মেন্টরের অধীনে থেকে গবেষণা করতে চান, তাঁকে দেশের স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা গবেষক হতে হবে।
- তাঁরও বিজ্ঞান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার যে কোনও বিষয়ে পিএইচডি থাকা প্রয়োজন।
- যে সমস্ত প্রার্থী কেন্দ্রের তরফে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ পাচ্ছেন, তাঁদের আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
- প্রার্থীদের আবেদন পাঠানোর দু’মাস পরে ফলাফল জানানো হবে। বাছাই করা ব্যক্তিদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডেকে পাঠাতে পারে এএনআরএফ।
আবেদন কী ভাবে?
অনলাইনে এএনআরএফ-এর ওয়েবসাইট মারফত নাম নথিভুক্তিকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে। সংস্থার তরফে দেওয়া নমুনা দেখেই জীবনপঞ্জি তৈরি করে আবেদন জানাতে পারবেন। এ ছাড়াও প্রার্থীদের বয়স, ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্রের সঙ্গে মেন্টরের জীবনপঞ্জিও দিতে হবে। আবেদনের শেষ দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি।