যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কুকুরদের যত্রতত্র খাবার দেওয়া বন্ধ করতে হবে। কর্তৃপক্ষের কাছে এমনই সুপারিশ করল বিশেষ কমিটি। পাশাপাশি বাইরের কুকুরদের যেন চিহ্নিত করা যায়, সে দিকে লক্ষ্য রাখার কথা বলা হয়েছে।
কমিটি সূত্রের খবর, ক্যাম্পাসের ভিতরে কুকুরের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। শিশু ও বয়স্কদের কামড়ানোর ঘটনা আগেও ঘটেছে। কিন্তু ১ মে বাইরে থেকে আসা একটি কুকুর একদিনে ৩২ জনকে কামড়েছে বলে দাবি কমিটির এক সদস্যের। শুধু মানুষ নয়, ওই পাগল কুকুরটি অন্য বেশ কিছু কুকুরকেও কামড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা। কিন্তু তাকে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়।
ক্যাম্পাসের ভিতর কুকুরের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কর্তৃপক্ষ প্রায় দু’সপ্তাহ আগে একটি কমিটি গঠন করে দেন। সেই কমিটি আপাতত সুপারিশ করেছে, প্রধান ফটকের সামনে ক্যাম্পাসের রাস্তার মধ্যে বা ক্যান্টিনের কাছে খাবার দেওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট স্থানে খাবার দিতে হবে। পাশাপাশি কুকুরদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট স্থানে থাকার ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেই সুপারিশও করা হয়েছে।
এই সব সুপারিশ বাস্তবায়িত করার জন্য কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য নেওয়া যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। তবে বাইরের কুকুরকে ভিতরে প্রবেশ আটকাতে গেলে ফটকের সামনে খাবার দেওয়া অবশ্য বন্ধ করতে হবে।
এ ছাড়াও কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্বীজকরণ ও ভ্যাকসিন দেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। কমিটির এক সদস্য জানান, বৈঠকের পরে যে সুপারিশগুলি দেওয়া হয়েছে আশা করা যায় যে, সমস্যার সমাধান হবে।