কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে সংঘর্ষের অভিযোগ। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দিন সন্ধ্যায় কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে দু’দল ছাত্রের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। জখম হয়েছেন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক ছাত্র।
অভিযোগ, মঙ্গলবার কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের ডিএসও–র ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। অভিযোগের আঙুল ওঠে কয়েক জন বহিরাগতের বিরুদ্ধে। ডিএসও-র দাবি, হামলাকারীদের হাতে বিজেপি-র ছাত্র সংগঠন এবিভিপি-র পতাকা ছিল। ডিএসও-র সদস্যেরা বাধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ঘটনার সময় এক ছাত্রের মাথা ফেটে যায়। শিবম মণ্ডল নামে ওই যুবক কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পড়ুয়া। এই ঘটনার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ভিতরে নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন পড়ুয়াদের একাংশ।
ডিএসও–র কলকাতা জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, “এ ভাবে ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকে এবিভিপি কর্মীরা আমাদের সদস্যদের মারধর করেছে। আমরা দ্রুত এর বিহিত চাইছি। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি।” তিনি জানান, ৬ পড়ুয়াকে মারধর করা হয়েছে। তার মধ্যে এক জনের মাথা ফেটে গিয়েছে। দাবি, এভিভিপি-র পতাকা হাতে সশস্ত্র কিছু সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে ডিএসও-র ব্যানার ছিঁড়তে শুরু করে।
আরও পড়ুন:
পাল্টা এবিভিপির অভিযোগ, ডিএসও সদস্যেরাই তাদের উপর চড়াও হয়। সংগঠনের কলকাতা মহানগর সম্পাদক ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র স্বাধীন হালদার জানান, ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন তাঁরা। তিনি বলেন, “আমরা বন্দেমাতরম আর ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিচ্ছিলাম। সে সময় ডিএসও চড়াও হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কয়েক জনকে আঘাত করে।” তাঁরা আইনি পদক্ষেপ করবেন বলে জানিয়েছেন স্বাধীন।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ বলেন, “আমার কাছে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। এলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”