Advertisement
E-Paper

পুলিশি যাচাইয়ে আপত্তি ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের! একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগ প্রসঙ্গে কী বলছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ?

চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশের প্রশ্ন, এর আগের বার যখন তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তখনও পুলিশি তদন্ত করেই চাকরি পেয়েছিলেন। এ বার ফের নিয়োগপত্র পাওয়ার পর এই যাচাইয়ের কী প্রয়োজন?

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:২২
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-র শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার পর একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে সুপারিশপত্র পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের নথি যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা করে শংসাপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। কিন্তু এ নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন ২০১৬ ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা প্রার্থীরা, যাঁরা এ বার শিক্ষকতায় ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।

চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশের প্রশ্ন, এর আগের বার যখন তাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তখনও পুলিশি তদন্ত করেই চাকরি পেয়েছিলেন। এ বার ফের নিয়োগপত্র পাওয়ার পর এই যাচাইয়ের কী প্রয়োজন? ওই শিক্ষকদের দাবি, এতে নিয়োগপত্র পেতেও অযথা দেরি হবে। চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষিকা সঙ্গীতা সাহা বলেন, “আমরা জানি পুলিশ ভেরিফিকেশন একবারই হয়। ২০১৬ সালের যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের কাছে সেই যাচাইকরণের তথ্য রয়েছে। সেগুলি দিয়ে কি কাজ হয় না?”

আর এক চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষিকা রূপা কর্মকার বলেন, “আমাদের মনে হয় যারা ‘যোগ্য’ তাঁদের নানা ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। সময় কম, দ্রুত বিষয়টি সম্পূর্ণ না করে সরকার ধীরে চলো নীতি নিচ্ছে। এতে আমাদের ক্ষতি হতে পারে।”

একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে নবম-দশমের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সেখানে প্রার্থীর সংখ্যা দ্বিগুণ। ৩১ অগস্টের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে, এমনই নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। শিক্ষকদের একাংশের দাবি, অতিরিক্ত কাজের চাপে সময় নষ্ট হচ্ছে।

যদিও পর্ষদের দাবি, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে পুলিশি যাচাই বাধ্যতামূলক। আদালতে নির্দেশে নিয়োগ করা হলেও, গোটা প্রক্রিয়াটিই নতুন ভাবে করা হচ্ছে। তাই এখানে ফের পুলিশি যাচাই বাধ্যতামূলক। এই প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে গেলে ফের মামলার আশঙ্কাও করছেন কর্তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়া আদালতের নির্দেশ মেনে স্বচ্ছ ভাবে করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনও প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে গেলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে।”

এ দিকে মাত্র সাতটি বিষয়ে কাউন্সেলিং সম্পূর্ণ করতে পেরেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সুপারিশপত্র দেওয়া হচ্ছে ওই বিষয়গুলিতেই। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে মোট ৩৫টি বিষয়ে কাউন্সেলিং করতে হবে। অল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সম্পাদক চন্দন গড়াই বলেন, “যাঁরা ‘যোগ্য’, তাঁরা এখন‌ও স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। তা হলে তাঁদের নতুন করে পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা কী? এর আগে আমরা পর্ষদকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছি।”

SSC Recruitment Case WB Teachers
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy