Advertisement
E-Paper

৮ বছরেও ইউজিসি বিধি কার্যকরের নির্দেশ দেয়নি রাজ্য! পদোন্নতিতে পিএইচডি বিভ্রান্তি শিক্ষকদের

২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) পদোন্নতি সংক্রান্ত একটি নতুন বিধি প্রকাশ করে। নিয়ম অনুযায়ী তার পরে রাজ্যের তরফে ‘ম্যাচিং অর্ডার’ প্রকাশ করার কথা। কিন্ত দীর্ঘ ৮ বছরেও সেই নির্দেশিকা প্রকাশ না করার ফলে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সমস্যায় পড়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:১১

— প্রতীকী চিত্র।

রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বিভ্রান্তি শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে। ঠিক কী ভাবে, কোন যোগ্যতায় পদোন্নতি হবে, তা এখনও স্থির করেই উঠতে পারেনি রাজ্য।

অভিযোগ, কোনও শিক্ষক পিএইচডি ডিগ্রি ছাড়াই সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক হচ্ছেন, কারও আবার পিএইচডি এবং অন্য যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতি হচ্ছে না। অভিযোগ এমনই। কিন্তু কেন এমন ‘এক যাত্রায় পৃথক ফল?’

জানা গিয়েছে, ২০১৮-য় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) পদোন্নতি সংক্রান্ত একটি নতুন বিধি প্রকাশ করে। নিয়ম অনুযায়ী এর পর রাজ্যের তরফে ‘ম্যাচিং অর্ডার’ প্রকাশ করার কথা। কিন্তু দীর্ঘ ৮ বছরেও সেই নির্দেশিকা প্রকাশিত হয়নি। ফলে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা সমস্যায় পড়েছেন। বার বার উচ্চশিক্ষা দফতরে আবেদন করেও ফল না হওয়ায় বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে চলেছেন সিপিএমের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুটা।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নিলয়কুমার সাহা জানান, ২০১৮ সালে ইউজিসি একটি নতুন বিধি প্রণয়ন করে। সেখানে ২০১০-এর বিধির বেশ কিছু পরিবর্তন করা হয়। যেমন পুরনো নিয়ম অনুযায়ী সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপকপদে উন্নীত হতে পিএইচডি বাধ্যতামূলক ছিল না। কিন্তু ২০১৮ বিধিতে এই ডিগ্রি বাধ্যতামূলক করা হয়।

রাজ্যের কোনও নির্দেশিকা না থাকায় কোনও বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের মতো করে ২০১০ বিধি মেনে কাজ করছে। কোথাও আবার যথাযথ নির্দেশিকা না থাকায় পদোন্নতি থমকেই রয়েছে। নিলয়কুমার সাহা বলেন, ‘‘আট বছরে রাজ্য প্রশাসন একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করতে পারল না। এক একটি বিশ্ববিদ্যালয় এক এক রকম নিয়মে চলছে। বহু বার আবেদন, নিবেদন এবং আন্দোলন করেও ফল হয়নি। দফতরের কর্তাদের সঙ্গেও বার বার যোগাযাগ করে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজ এগোয়নি। তাই শিক্ষকদের স্বার্থে এ বারে বৃহত্তর অন্দোলনের পথে যেতে হবে।’’

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘‘২০১০ সালে যে ইউজিসি-র নিয়ম মেনেই ২০১২ সালে রাজ্যের তরফে ম্যাচিং অর্ডার বেরিয়েছিল। সেই নিয়ম মেনেই এখন পদোন্নতি চলছে। ২০১৮ সালের ম্যাচিং অর্ডার এখনও প্রকাশিত হয়নি।’’

Promotion Teachers College university
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy