বিজ্ঞানের নিয়ম মেনেই খাদ্যের গুণাবলী যাচাই করা হয়ে থাকে। খাবার থেকে সঠিক মাত্রায় পুষ্টি পাওয়া যাবে কিনা, তা যাচাই করে নেন খাদ্য বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের ফল, সবজি, কিংবা শস্যের স্বাদ, গন্ধ, রং সংক্রান্ত বিষয়গুলিও খতিয়ে দেখেন, যাতে তা খাদ্য যোগ্য হয়। এই কাজটি করার জন্য আগ্রহীদের ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়ে পড়াশোনা করতে হয়।
কারা ওই বিষয় নিয়ে পড়তে পারবেন?
দ্বাদশ উত্তীর্ণ হওয়ার পরই খাদ্য বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা, গণিত-সহ দ্বাদশ উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্যাচেলর অফ টেকনোলজি (বিটেক) কিংবা ব্যাচেলর অফ সায়েন্স (বিএসসি) ডিগ্রি কোর্সের অধীনে ওই বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে।
পাশ করতে হবে প্রবেশিকায়—
যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওই বিষয়টি স্নাতক স্তরে পড়ানো হয়, সেখানে ভর্তি হওয়ার জন্য বিশেষ প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হতে হয়। তাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়ামিনেশন মেনস, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ-এর অল ইন্ডিয়া কম্পিটেটিভ এগ্জ়ামিনেশন ফর অ্যাডমিশন-এর মধ্যে যে কোনও একটিতে উত্তীর্ণ হতে হবে।
আরও পড়ুন:
কোথায় ভর্তি নেওয়া হয়?
দেশের ১৭০টি বেসরকারি এবং ১৩০টি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়টি পড়ানো হয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি (ম্যাকাউট), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি), রাউরকেলা; ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড অন্ত্রেপ্রেনিয়রশিপ, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ফুড টেকনোলজি, সেন্ট্রাস ফুড টেকনোলজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট-র মতো প্রতিষ্ঠান।
কী পড়ানো হয়?
খাবারের গুণগত মান যাচাই করা, কী ভাবে তা সুরক্ষিত ভাবে বাক্সবন্দী করা যেতে পারে, দীর্ঘক্ষণ প্যাকেটে থাকার পরও কী ভাবে তার স্বাদ বজায় থাকবে— তা এই বিষয়ের মাধ্যমে শেখানো হয়ে থাকে।
পড়াশোনার খরচ:
স্নাতক স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনার জন্য খরচ হতে পারে এক লক্ষ টাকা। স্নাতকোত্তর স্তরে ফি বাবদ দেড় লক্ষ টাকা থেকে দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়।