যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিগ্রহের প্রতিবাদে ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে এ বারে পথে নামলেন প্রাক্তনীদের একাংশ। পড়ুয়াদের পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেন, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়।
শুক্রবার বিকেলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর ফটকের কাছে তাঁরা জমায়েত করেন। গবেষক সৌরীশ ঘোষ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এমন শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনা ঘটেনি। বলেন, “এই ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত। যে শিক্ষক প্রহৃত হয়েছেন তিনি নিজেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী।”
আরও পড়ুন:
সূত্রের খবর, গত কয়েক দিন ধরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর উত্তাল অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি বা আইসিসি নির্বাচন ঘিরে। ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পড়ুয়া-শিক্ষকেরা। তার পরই সায়েন্স-আর্টস মোড়ের কাছে ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে শুরু হয় বিবাদ। সেখানেই মধ্যস্থতা করতে গিয়ে জখম হয়েছেন দুই অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহ এবং ললিত মাধব।
এরপরে দুই অধ্যাপককেই পার্শ্ববর্তী এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। ললিত মাধবকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও রাজ্যেশ্বরের আঘাত বেশি। তাঁর চোখে ঘুষি মারা হয়েছিল। চশমার কাচ ভেঙে আঘাত লেগেছে নাকে। রাজ্যেশ্বর জানিয়েছিলেন, “দুই দল ছাত্রের মধ্যে গোলমাল হচ্ছিল। সে সময় ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্যই মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলাম। এই দু’দল ছাত্রের কেউই আমাকে আঘাত করেনি। বাইরে থেকে হঠাৎ কেউ এসে আমাকে মারধর করে।”