Advertisement
E-Paper

শুক্রে ইতিহাস, সাল-তারিখের জটিল হিসাব কী ভাবে রাখবে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

শেষ মুহূর্তে কী করণীয় তারই উপায় বাতলে দিচ্ছেন দ্য পার্ক ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বাসবকুমার মুখোপাধ্যায় এবং পাঠভবনের ইতিহাস শিক্ষিকা সৌমী মিত্র।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৬
শুক্রবার মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা।

শুক্রবার মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা। ছবি: সংগৃহীত।

প্রস্তুতি একেবারে শেষ পর্বে, এখন শুধুই বইয়ে পাতায় চোখ বোলানোর পালা। চলতি বছরের মাধ্যমিকে ইতিহাস পরীক্ষা ৬ ফেব্রুয়ারি। বিষয়টি নিয়ে অনেকেরই চিন্তা থাকে। অঙ্কের মতো ইতিহাসেও ভয় অনেকের। বিশেষত সাল-তারিখের জটিল জট চোখ রাঙায় প্রতিনিয়ত। শেষ মুহূর্তে কী করণীয়, সে কথাই জানাচ্ছেন পাঠভবনের ইতিহাস শিক্ষিকা সৌমী মিত্র এবং দ্য পার্ক ইনস্টিটিউশনের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক বাসবকুমার মুখোপাধ্যায়।

সৌমী জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে নতুন কোনও বিষয় পড়তে গেলে তা মনে না-ও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরনো পড়াই আরও ভাল ভাবে অনুশীলন করে নেওয়া উচিত। সালের ক্ষেত্রে কবে ঘটেছে, কোন ঘটনা ঘটেছে, তার কারণ ও ফলাফল নিয়ে একটা স্পষ্ট চার্ট তৈরি করে ফেলা যায়। যাতে শেষ মুহূর্তে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যেতে পারে। তাতে খুব সহজেই মাথায় থেকে যাবে।

তিনি বলেন, “উত্তর লেখার ক্ষেত্রে অযাচিত তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক তথ্য দিলেই নম্বর পাওয়া যাবে। পাঠ্যবই ভাল ভাবে পড়লেই এটা করা যায়। পুরনো প্রশ্নপত্র ভাল করে অনুশীলন করলে পরীক্ষা ভাল হতে পারে।”

বাসবকুমার আবার সময় নির্ধারণের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মোট এমসিকিউ থাকে ২০টি। প্রথম ২০ মিনিটে এর উত্তর দেওয়া ভাল। প্রথম ১৫ মিনিট প্রশ্নপত্র দেখার যে সময় পাওয়া যায়, তখনই এমসিকিউ-র সঠিক উত্তর মনে মনে তৈরি করে নিলে ভাল। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন মোট ১৬টি থাকে, এর মধ্যে ১১টির উত্তর দিতে হয়। এ জন্য ৩৩ মিনিট ধার্য করলে ভাল। মনে রাখা দরকার, প্রশ্নের উত্তর তিনটি বাক্যেই দিতে হবে।

বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্নের উত্তর মোট ৬টি করতে হয় এবং তার জন্য ৭৮ মিনিট সময় ধার্য করলে ভাল। অর্থাৎ প্রতি প্রশ্নে ১৩ মিনিট করে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, “খাতার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে উত্তর লেখা ঠিক নয়। পরপর লিখলেই ভাল। যেমন প্রশ্নই হোক না কেন, উত্তরে ইতিহাসের মূল চারটি অনুসন্ধানের উপরই জোর দিতে হয়— কী, কবে, কোথায়, কেন বা কী ভাবে। এগুলির উল্লেখ যেন উত্তরে স্পষ্ট হয়।” অর্থাৎ মূলত চারটি সাব হেডিং করে প্রশ্নের উত্তর দিলে পরীক্ষক পুরো নম্বর দিতে বাধ্য থাকবেন বলে তাঁর দাবি।

তবে উত্তর সাবলীল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও তথ্যসমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি বানানের দিকেও নজর রাখতে হবে বলে তাঁরা মনে করেন। ৮ নম্বরের ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নের ক্ষেত্রে যে প্রশ্নে নম্বর বিভাজন আছে, তার উত্তর লিখতে পারলে ভাল। মোটামুটি ২৫ মিনিটের মধ্যে উত্তর লেখার চেষ্টা করা দরকার। সঠিক অনুশীলন, সময়ের মাপকাঠি এবং ঠান্ডা মাথায় লিখতে পারলে অবশ্যই পরীক্ষা ভাল হওয়ার সুযোগ থাকে।

Madhyamik 2026 Exam
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy