Advertisement
২১ জুলাই ২০২৪
Recruitment in Nadia

নদীয়া জেলায় রয়েছে কাজের সুযোগ, কারা আবেদন করতে পারবেন?

প্রার্থীর বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হওয়া প্রয়োজন। সংরক্ষিত বিভাগের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ছাড় রয়েছে।

নদীয়া জেলায় কাজের সুযোগ।

নদীয়া জেলায় কাজের সুযোগ। প্রতীকী ছবি।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৩ ১৩:১৬
Share: Save:

সংসারের অর্থনৈতিক টানে অনেক সময়ই হাল ধরতে হয় বাড়ির মহিলাদের। কিন্তু কী কাজ করবেন, কোথায় যেতে হবে, কী ভাবে আবেদন করা যাবে— এত প্রশ্ন যখন উঠে আসে, তখন অনেক সময়ই আর সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে, বিবাহিতা, বিধবা কিংবা আদালত থেকে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে এমন মহিলাদের কাজের সুযোগ দিচ্ছে নদীয়া জেলার প্রশাসনিক বিভাগ।

নদীয়া জেলার কল্যাণীর চাকদহের বিভিন্ন ব্লকের জন্য নিয়োগ করা হবে আশা কর্মী। রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন জেলাতেই চলছে এই নিয়োগ। সেই মতো জেলার প্রশাসনিক ওয়েবসাইটগুলিতে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হচ্ছে। এ বার আশা কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে নদীয়া জেলার প্রশাসনিক ওয়েবসাইটে।

শুধুমাত্র বিবাহিতা/ বিধবা/আদালত থেকে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে, এমন মহিলারাই আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট স্থানের বাসিন্দা হতে হবে। প্রার্থীর বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হওয়া প্রয়োজন। সংরক্ষিত বিভাগের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ছাড় রয়েছে। কোনও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক পাশ হওয়া দরকার। মোট শূন্যপদ রয়েছে ১৮টি।

আবেদন প্রক্রিয়া:

প্রার্থীকে নদিয়া জেলার প্রশাসনিক ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ‘হোমপেজ’ থেকে যেতে হবে ‘নোটিশ’ এবং ‘রিক্রুটমেন্ট’-এ। সেখান থেকেই সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে পারবেন প্রার্থীরা। বিজ্ঞপ্তি থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করে তা পূরণ করা প্রয়োজন। এর পর আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় নথি বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া ঠিকানায় জমা দিতে হবে। ১৬ জুন বিকেল ৪টে পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে।

নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং শর্তাবলি জানতে নদিয়া জেলার প্রশাসনিক ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

Job Vacancy Govt Job Recruitment 2023 Asha Worker
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE