Advertisement
E-Paper

একজন আইনজীবীই লিখেছিলেন বিতর্কিত অধ্যায়! এনসিইআরটি-র নিষিদ্ধ বই সম্পর্কে কী জানা গেল?

চলতি সপ্তাহের শুরুতে এনসিইআরটি-র অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইয়ের 'সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা' শীর্ষক অধ্যায়ে আদালত অবমাননা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩০

ছবি: সংগৃহীত।

একজন আইনজীবীই লিখেছিলেন অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইটির ওই বিতর্কিত অধ্যায়, এমনই তথ্য উঠে আসছে সংবাদমাধ্যমে। এনসিইআরটি-র এক আধিকারিকের দাবি, ওই বইটির বিভিন্ন অধ্যায় যাঁরা লিখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন একজন আইনজীবীও। যদিও ওই অধ্যায় খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কোনও আইনি পরামর্শদাতা ছিলেন না।।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে এনসিইআরটি-র অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইয়ের ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ শীর্ষক অধ্যায়ে আদালত অবমাননা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্ট। ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বইটিকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করেন এনসিইআরটি এবং শিক্ষা মন্ত্রকের নামে। সিলেবাস কমিটিতে কারা ছিলেন, তা-ও জানতে চান প্রধান বিচারপতি। ওই রাতেই প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টিকে দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। দুঃখপ্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও।

প্রশ্ন উঠেছিল বিচারবিভাগকে নিয়ে লেখা ওই অধ্যায় কি আদৌ কোনও বিশেষজ্ঞকে দিয়ে যাচাই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এই প্রশ্নের উত্তরেই এনসিইআরটি-র এক আধিকারিক বলেন, "পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের আগে এ ধরনের কোনও পদ্ধতি মানা হয় না। আলাদা করে কোনও অধ্যায় যাচাই করিয়ে নেওয়ার নিয়ম নেই। যদিও ওই অধ্যায়টি যাঁরা লিখেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন আইনজীবীও ছিলেন।

‘এক্সপ্লোরিং সোসাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড’ বইটি গত ২৪ ফ্রেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। ২০২৩ থেকে ২০২৫-এর মধ্যে বইটি লেখার কাজ শেষ হয়। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই বইটি পাঠ্যে যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন ২০২৩ অনুযায়ী নতুন করে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের কাজ চলছে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য। এরই মধ্যে অভিযোগ ওঠে সমাজবিজ্ঞান বইয়ের বিষয়বস্তু বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থা তৈরি করছে। কারণ, সেখানে লেখা হয়েছিল বিচারবিভাগের দুর্নীতি রয়েছে, পর্যাপ্ত বিচারকের অভাবে আইনি প্রক্রিয়া থমকে থাকে ইত্যাদি।

সাধারণত, এনসিইআরটি-র পাঠ্যপুস্তক কোনও একজন দ্বারা লিখিত হয় না। বরং অনেকেই তার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। শিক্ষাবিদ এবং অতিথি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা গঠিত হয় ‘কারিকুলার এরিয়া গ্রুপ’ (সিএজি)। প্রাথমিক খসড়ার পর তা যাচাই করে দেখাও হয়। সুপ্রিম কোর্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত সকলের নাম জানতে চেয়েছে।

NCERT NCERT Books
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy