পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই ফল ঘোষণা। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) ইউজিসি নেট-এর ফলাফল প্রকাশ করেছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭,৩৫,৬১৪ জন। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৯,৯৩,৭০২ জন। চলতি বছরের ফলাফল অনুযায়ী, মহিলাদের পাশের হার ৫৮.৯১ শতাংশ, পুরুষদের ৪১.০৮ শতাংশ এবং তৃতীয় লিঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পাশের হার ০.০১ শতাংশ।
এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ’ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি, নেট পাশ করার পরে পড়ুয়ারা পিএইচডি এবং ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসাবে আবেদনের যোগ্যতাও অর্জন করেন। চলতি বছরের ফলাফল অনুযায়ী, ‘জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ’ এবং ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসাবে আবেদনের যোগ্যতা অর্জন করেছেন ৫,১০৮ জন। এর পাশাপাশি, পিএইচডি এবং ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসাবে আবেদনের সুযোগ পাবেন ৫৪,৭১৩ জন। শুধুমাত্র পিএইচডি করতে পারবেন ১,১৭,০৫৮ জন।
২০২৫-এর ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬-এর ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছিল। ওই ছ’দিন মোট ২৮৩টি শহরের ৬৬৩টি কেন্দ্রে কম্পিউটার বেস্ড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ‘প্রভিশনাল আনসার কি’ প্রকাশ করা হয় ১৪ জানুয়ারি। প্রকাশিত ‘আনসার কি’-র ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীদের উত্তর ‘চ্যালেঞ্জ’ করার সুযোগও দেওয়া হয়। এর পরই ৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় ‘চূড়ান্ত আনসার কি’।
বছরে দু’বার এই পরীক্ষা নেওয়া হয়ে থাকে। ২০২৫-এর প্রথম পর্বের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছিল ২১ জুলাই। সেই পরীক্ষায় জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে আবেদনের যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন ৫ হাজার ২৬৯ জন।