Advertisement
E-Paper

নিয়োগের আগে সংরক্ষণের তালিকা তৈরি করতে জারি হোক অভিন্ন নির্দেশিকা, দাবি কর্মীদের একাংশের

বিভিন্ন নিয়োগের ক্ষেত্রে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রাম্ত নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। সেই নির্দেশ মেনে স্বচ্ছ ও নির্ভুল সংরক্ষণতালিকা তৈরির জন্য একটি অভিন্ন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হোক, এমনই দাবি ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ অনুমোদিত পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সঙ্ঘ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ১৫:২৩

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অভিন্ন সংরক্ষণ নির্দেশিকা চাইছেন সরকারি কর্মীদের একাংশ।

বিভিন্ন নিয়োগের ক্ষেত্রে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রাম্ত নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। সেই নির্দেশ মেনে স্বচ্ছ ও নির্ভুল সংরক্ষণতালিকা তৈরির জন্য একটি অভিন্ন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হোক, এমনই দাবি ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ অনুমোদিত পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সঙ্ঘ।

সংগঠনের দাবি, এই অভিন্ন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হলে নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে। ইতিমধ্যেই তারা রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর কাছে আবেদন জানিয়েছে। পাশাপাশি আরও ৮ দফা দাবি রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের ভাবধারায় গঠিত এই সংগঠনের।

সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সচিব সুশান্ত মজুমদার জানান, সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্ভুল ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর জন্য একটি অভিন্ন নির্দেশিকা এবং পরামর্শ প্রকাশের জন্য মন্ত্রীর কাছে তাঁরা আবেদন করেছেন।

আদালতের নির্দেশ অনুসারে গত ১৮ মে রাজ্য সরকার গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করেছে। সেখানে ওবিসি সংরক্ষণ ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। এর পর সুনির্দিষ্ট রূপরেখার প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের অধিকাংশ। ইতিমধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয় যেন নতুন নিয়ম মেনে খসড়া তালিকা তৈরি করে, সেই জন্য রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী পদে নিয়োগের জন্য শূন্যপদের তালিকাও তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সংরক্ষণ নীতির এই পরিবর্তনের ফলে ফের নতুন নিয়ম মেনে ফের তালিকা তৈরি করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেখানেই প্রশ্ন থেকে গিয়েছে, ইতিমধ্যে যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরনো নিয়ম মেনে নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ফেলেছে এবং নির্বাচনের আগেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কিন্তু শেষ হয়নি, তাদের কী হবে?

এই সমস্যার সমাধানেই কর্মীদের একাংশ চাইছেন, দফতর যেন একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম বা এসওপি তৈরি করে দেয়। পাশাপাশি পুরনো তালিকা সংশোধনে ‘রোস্টার ভেরিফিকেশন কমিটি’ তৈরির দাবিও রয়েছে। সরকারি অভিন্ন নির্দেশিকা মেনে নতুন রোস্টার চূড়ান্ত করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি যেন তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ করে সেই দাবিও করেছেন সুশান্ত।

তিনি বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সব পক্ষের মতামত নিয়ে সংরক্ষণের রোস্টার চূড়ান্ত করুক। আর সরকারের তরফ থেকে এই প্রক্রিয়া নিয়ে অভিন্ন নির্দেশিকা জারি হলে রাজ্য সরকারের ভাবমূর্তি আরও পরিষ্কার হবে।’’

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কুটার সাধারণ সম্পাদক সাগরময় ঘোষ বলেন, ‘‘নিয়োগের ক্ষেত্রে সব সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গে উচ্চ শিক্ষা দফতরের সমন্বয় থাকে না। গত কয়েক বছরে এমনই দেখেছি। তাই রোস্টার তৈরির ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয় সঠিক ভাবে না হলে নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা প্রয়োজন।’’

West bengal Gov
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy