Advertisement
E-Paper

প্রায় ১৩ বছরে পর বেতন বৃদ্ধি! বিধানসভায় অর্থমন্ত্রীর ঘোষণায় স্বস্তি স্কিল এডুকেশন শিক্ষকদের

উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে রাজ্যের স্কুলগুলিতে ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয় পড়ানো হয়। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, এই শিক্ষা পুরোপুরি স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনেই হওয়ার কথা। কিন্তু তৃণমূল সরকার সেই নিয়ম লঙ্ঘন করে গোটা বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থাকে কারিগরি শিক্ষা দফতরের অধীনে নিয়ে যায়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ২৩:২৬

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

খানিক স্বস্তি কারিগরি শিক্ষকদের। প্রায় ১৩ বছর পরে বেতন বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এই বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।

স্কিল এডুকেশন বিভাগের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনাইটেড ওয়েস্টবেঙ্গল এনএসকিউএফ (ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক) টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিরুপম কোলে জানান, বৃহস্পতিবার বিধানসভায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন রাজ্যের তরফে প্রদেয় সাম্মানিকে ২০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। প্রায় ১৩ বছর পরে তাঁদের বেতন সামান্য হলেও বৃদ্ধি হচ্ছে।

নিরুপম জানান, তাঁদের সব দাবি অবশ্য পূরণ হয়নি। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে রাজ্যের স্কুলগুলিতে ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয় পড়ানো হয়। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, এই শিক্ষা পুরোপুরি স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনেই হওয়ার কথা। কিন্তু তৃণমূল সরকার সেই নিয়ম লঙ্ঘন করে গোটা বৃত্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থাকে কারিগরি শিক্ষা দফতরের অধীনে নিয়ে যায়। নিরুপমের অভিযোগ, “তৎকালীন সরকার নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যে নিয়ম লঙ্ঘন করেছিল। গত ১৩ বছরে এক টাকাও বেতন বৃদ্ধি হয়নি। উপরন্তু, এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় সামান্য বেতনও আমরা পাই অনিয়মিত।”

এ সব বিষয় তুলে ধরেই নতুন সরকারের কাছে অবস্থা বিবেচনা করে পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছিল ইউনাইটেড ওয়েস্টবেঙ্গল এনএসকিউএফ (ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক) টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। রাজ্যে বাজেটে এ সংক্রান্ত কোনও ঘোষণা না থাকায় আলাদা করে সদস্যেরা দেখা করেন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে। তার পরই এই ঘোষণা। এতে খানিকটা স্বস্তিতে শিক্ষকেরা।

নিরুপমের দাবি, রাজ্যের তরফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি হচ্ছে। ধরে নেওয়া যায় কেন্দ্রের তরফে প্রদেয় অংশে ৩ হাজার টাকা বৃদ্ধি হবে। এটিই নিয়ম। ফলে তাঁরা স্বস্তিতে। তবে, সব প্রত্যাশা যে পূরণ হয়নি, তা-ও জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষকেরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল, এজেন্সি প্রথার অবসান ঘটিয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে নিয়ে আসা। তা হয়নি। যদিও আগামী দিনে রাজ্য সরকার এ বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করবে বলে নিরুপম আশাবাদী।

Salary

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy