আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে দেশ জুড়ে আয়োজিত হয়েছে মেডিক্যাল স্নাতকে ভর্তির যোগ্যতা নির্ণায়ক প্রবেশিকা। ২১ জুনের নিট ইউজি পুনঃপরীক্ষা দিয়েছেন মোট ২২ লক্ষ ৭৯ হাজার পরীক্ষার্থী। সেই পরীক্ষারই সম্ভাব্য উত্তরপত্র প্রকাশ করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। যদিও এখনও পর্যন্ত খাতা দেখার জন্য এনটিএ-এর তরফে ওএমআর শিট স্ক্যান করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
এনটিএ-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র দেখে আপত্তি জানানোর সুযোগও পাবেন। ২৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত অনলাইনে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবেন ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীরা। সে ক্ষেত্রে এনটিএ-এর তরফে জারি করা হয়েছে বেশ কয়েকটি নিয়ম। প্রতি প্রশ্নে ২০০ টাকা করে প্রসেসিং ফি দিতে হবে। যদি কোনও পরীক্ষার্থীর চ্যালেঞ্জ বিশেষজ্ঞ প্যানেল দ্বারা গৃহীত বা সঠিক বলে প্রমাণিত হয়, তবে সেই টাকা সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে।
কেন ওএমআর স্ক্যানিংয়ের মাঝেই এই সিদ্ধান্ত?
এনটিএ জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের ওএমআর-এর পাতা স্ক্যান করার কাজ এখনও চললেও উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করার প্রক্রিয়াটি শুরু করে দেওয়া হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বচ্ছতার স্বার্থে এটি ইচ্ছে করেই করা হয়েছে। যাতে প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সব বিষয়ের সম্ভাব্য আনসার কি ভাল পর্যালোচনা করে দেখার সুযোগ পান।
পাশাপাশি, কোনও প্রশ্নের উত্তর খতিয়ে দেখার প্রয়োজন থাকলে তা চিহ্নিত করার জন্য একটি আগাম সুযোগ পাবেন পরীক্ষার্থীরা। সে জন্যই দু’টি প্রক্রিয়া একসঙ্গে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি। জাতীয় নিয়ামক সংস্থা আরও জানিয়েছে, আগে আপত্তি জানানোর সুযোগ দিলে দ্রুত চূড়ান্ত আনসার কি এবং ফলাফল প্রকাশ করা যাবে।
আরও পড়ুন:
পরীক্ষার্থীদের শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব প্রশ্নপত্রের সিরিজ কোড (যা পরীক্ষার পর বাড়ি নিয়ে যাওয়া টেস্ট বুকলেটের কভারে লেখা ছিল) দিয়েই আপত্তি জানাতে হবে। কোনও একটি আপত্তি গৃহীত হলে সেই সংশোধনটি চারটি সেটের সকল পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সমান ভাবে কার্যকর করা হবে। এনটিএ-এর দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চ্যালেঞ্জের পর চূড়ান্ত হওয়া অ্যানসার কি-ই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। চ্যালেঞ্জ উইন্ডো বন্ধ হওয়ার পর বা ফল প্রকাশের পর অ্যানসার কি সংক্রান্ত কোনও দাবি বা আপত্তি আর গ্রহণ করা হবে না।