Advertisement
E-Paper

স্বশাসিত কলেজে গবেষণা! এ বার রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেই

এই মুহূর্তে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্বশাসিত কলেজ রয়েছে পাঁচটি— বেলুড়ের রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন শিল্পমন্দির, নরেন্দ্রপুরের রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক কলেজ, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং বেহালা কলেজ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ১১:৪০

ছবি: সংগৃহীত।

স্বশাসিত কলেজগুলির ক্ষেত্রে নিয়মের পরিবর্তন করতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষণা ক্ষেত্রে এ বার থেকে রেজিস্ট্রেশনের ভার নিতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ই।

স্বশাসিত কলেজের পড়ুয়াদের স্নাতক থেকে গবেষণা— সব ক্ষেত্রেই শংসাপত্র দেওয়া হয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে। কিন্তু পড়ুয়া হিসেবে তাঁদের পরিচয় হয় কলেজের নামে! এ বার সেই অবস্থার পরিবর্তন করতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়।

সূত্রের খবর, চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই তাঁদের অধীনে থাকা স্বশাসিত কলেজের পড়ুয়াদের রেজিস্ট্রেশনের দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি কলেজ কর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে খবর।

এই মুহূর্তে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্বশাসিত কলেজ রয়েছে পাঁচটি— বেলুড়ের রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন শিল্পমন্দির, নরেন্দ্রপুরের রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক কলেজ, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং বেহালা কলেজ। কিন্তু কেন হঠাৎ এই পরিবর্তনের প্রয়োজন হল?

সূত্রের খবর, এর নেপথ্যে রয়েছে সর্বভারতীয় স্তরে নাক এবং এনআইআরএফ-এর তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নম্বর কমে যাওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক জানান, গত বছরে গবেষণায় প্রায় হাজার জনকে শংসাপত্র দিয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। এঁদের মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি স্বশাসিত কলেজের গবেষক। ফলে তাঁদের গবেষণাপত্রে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। ওই কর্তার কথায়, “শংসাপত্র আমরা দিচ্ছি। কিন্তু তাঁরা আমাদের পড়ুয়া বলে গণ্য হচ্ছেন না। উৎকর্ষ তালিকায় আমরা পিছিয়ে পড়ছি। কর্তৃপক্ষের মনে হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। তাই তা শুধরে নেওয়া হচ্ছে।”

স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং গবেষণার পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। এত দিন পর্যন্ত কলেজগুলি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে তালিকা পাঠিয়ে দিত। তাঁদের পাঠানো নম্বরের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে মার্কশিট এবং শংসাপত্র দেওয়া হত। কিন্তু এ বার থেকে রেজিস্ট্রেশন করাবে বিশ্ববিদ্যালয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ বলেন, “যে সব পড়ুয়াকে আমরা শংসাপত্র দিই তাঁরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া। সে কারণেই তাদের রেজিস্ট্রেশন আমাদের মাধ্যমেই হবে।”

Registration Autonomous Body
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy