বিষয়ভিত্তিক ও জাতিভিত্তিক কত শূন্য পদ রয়েছে তার হিসাব— ‘ম্যাচিং ভ্যাকেন্সি’ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে পাঠাল রাজ্য শিক্ষা দফতর। তবে তা এখনও স্কুল সার্ভিস কমিশনের(এসএসসি) হাতে পৌঁছয়নি।
পর্ষদ সূত্রের খবর, শুক্রবার শিক্ষা দফতর যে তালিকা পাঠিয়েছে, সেখানে কিছু সমস্যা রয়েছে। সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই স্কুল শিক্ষা দফতরের কমিশনারের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অসংগতি মিটলেই ‘ম্যাচিং ভ্যাকেন্সি’ এসএসসি-র কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সোমবার অথবা মঙ্গলবার এর মধ্যে তালিকা পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, বলে জানাচ্ছেন পর্ষদের কর্তারা।
আরও পড়ুন:
এ দিকে এসএসসি-র তরফে জানা গিয়েছে, সোম বা মঙ্গলবারের মধ্যে শূন্যপদের তালিকা হাতে পেলেও তা খতিয়ে দেখতে তিন-চার দিন সময় লাগবে। সুতরাং সব ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এসএসসি, তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হতে পারে একাদশ দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শেষ করে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে এসএসসিকে। তারাই সুপারিশপত্র দেবে যোগ্য প্রার্থীদের। তার পর নিয়োগপত্র দেবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
প্রাথমিক ভাবে সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী সুপারিশপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ছিল গত ১৫ জানুয়ারি। নবম দশমের নথি যাচাইয়ের কথা ছিল ২৬ ডিসেম্বর। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।
মনে করা হচ্ছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার কারণে খানিক বিলম্ব হচ্ছে এই কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায়। একাদশ-দ্বাদশের কাউন্সেলিং-এর ডাক পেয়েছেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে ৮২৯৯ জন। তাঁরাই জানাচ্ছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হয়ে চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার পর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে। তাই ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহেই একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং সেরে ফেলতে হবে কমিশনকে। এর পর মার্চ মাসের শুরুতেই রয়েছে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র নিয়োগের পরীক্ষা। ফলে গোটা শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে শেষ হবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।