Advertisement
E-Paper

যোগ দিবসে স্কুলে হাজির থাকা পড়ুয়াদের মিড-ডে মিল দিতে পারবে স্কুল, জানাল বিকাশ ভবন

বর্তমানে গরমের কারণে বহু স্কুলই সকালে খোলা থাকে। সেই ক্ষেত্রে মিড-ডে মিল দেওয়া হয় সকাল সাড়ে ন’টায়। আগামী রবিবার সকাল আটটায় মিড-ডে মিল দেওয়া যেতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ১৬:৩৩

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের দিনে স্কুলে উপস্থিত পড়ুয়াদের মি়ড-ডে মিল দিতে পারবে স্কুলগুলি। বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, এই মর্মে স্কুলশিক্ষা দফতর থেকে সব জেলার মিড-ডে মিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার, ২১ জুন সকালে রাজ্যের সব স্কুলে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করতে বলেছে সরকার। সেই কারণে রবিবার স্কুলে হাজির থাকবে পড়ুয়ারা। দফতরের এক কর্তা জানান, সকাল সাড়ে সাতটার পরে যোগ দিবস উদ্‌যাপন শেষ হতে পারে। তার পরে অন্তত আটটা নাগাদ এই মিড-ডে মিল দেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে গরমের কারণে বহু স্কুলই সকালে খোলা থাকে। সে ক্ষেত্রে মিড-ডে মিল দেওয়া হয় সকাল সাড়ে ন’টায়। যেহেতু রবিবার স্কুল খোলা থাকছে, তাই এই বাড়তি ব্যবস্থা। স্কুল খোলা থাকলে পড়ুয়ারা যেন মিড-ডে মিল পায়, সেটা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলিকেও কিছু নিয়ম মানতে হবে। বিকাশ ভবনের এক কর্তা জানান, রবিবার সাধারণত স্কুল ছুটি থাকে। এই দিনগুলিতে মিড-ডে মিল দিতে হলে, অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে মিড-ডে মিলের ছ’দিনের নির্ধারিত যে তালিকা রয়েছে, সেখান থেকেই খাবার দিতে হবে। অর্থাৎ অন্য কোনও খাবারকে মিড-ডে মিল বলা যাবে না। দফতরের এক কর্তা জানান, স্কুল মিড-ডে মিলের বদলে অন্য খাবারও কিনে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে অর্থের সংস্থান স্কুলকেই করতে হবে। এই বাড়তি দিনের মিড-ডে মিলের টাকা পেতে হলে নির্ধারিত তালিকা থেকেই খাবার দিতে হবে। জেলার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, কোনও সংস্থা থেকে খাবার কিনে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু, স্কুলে রান্না করে আটটার মধ্যে মিড-ডে মিল দেওয়াটা অসুবিধার। তবুও চেষ্টা করা হবে।

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই উদ্যোগের প্রশংসা করলেও, যে ভাবে কম বরাদ্দে এই মিড-ডে মিল চলছে, সেই সমস্যা সমাধানের কথা বলেন। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াপিছু বরাদ্দ ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। অথচ একটি ডিমের দামই ৭ টাকার বেশি। তাঁর কথায়, ‘‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে আমাদের রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী থাকছেন। ওই দিন অনুষ্ঠান খুব সকালে হওয়া সত্ত্বেও স্কুলগুলোকে মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। উদ্যোগ ভাল। তবে যে অল্প টাকায় মিড-ডে মিল খাওয়াতে হয়, তাতে ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া বড়ই মুশকিল। তাই মাথাপিছু বরাদ্দ বাড়ানো উচিত।’’

Mid Day Meal
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy