Advertisement
E-Paper

ডেঙ্গি প্রতিরোধে কর্মসূচি পালন করবে স্কুলগুলি! ভোটের মুখে নয়া নির্দেশিকা নিয়ে প্রশ্ন শিক্ষকদের একাংশের

শুক্রবার জেলার সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুল পরিদর্শক (ডিআই)-দের এক নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, গত ১৪ এপ্রিল মুখ্যসচিব পর্যায়ের এক বৈঠক হয়। সেখানে ডেঙ্গি প্রতিরোধের নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তার পরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতার প্রচার চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:১৭

— প্রতীকী চিত্র।

ডেঙ্গি প্রতিরোধে উদ্যোগী হতে হবে স্কুলগুলিকে। এমনই নির্দেশ দিল স্কুলশিক্ষা দফতর। শুধু স্কুলের ভিতরে নয়। পার্শ্ববর্তী এলাকায়ও নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে পড়ুয়াদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রধানশিক্ষকদের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, কী ভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে।

বিকাশভবন সূত্রের খবর, শুক্রবার জেলার সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্কুল পরিদর্শক (ডিআই)-দের এক নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, গত ১৪ এপ্রিল মুখ্যসচিব পর্যায়ের এক বৈঠক হয়। সেখানে ডেঙ্গি প্রতিরোধের নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তার পরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতার প্রচার চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। দু’ভাবে এই কাজ করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়। একটি প্রতিরোধ অপরটি হল সচেতনতা প্রসার।

প্রতিরোধের ক্ষেত্রে স্কুল চত্বর পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও জমা জল রয়েছে কি না, তা প্রতিদিন খুঁটিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। সাত দফা নির্দেশের পরেই সচেতনতার দিকটিতে জোর দিয়েছে দফতর। পড়ুয়াদের ডেঙ্গির লক্ষণ বুঝতে শেখানোর পাশাপাশি তাঁদেরকে ‘কমিউনিটি আউটরিচ’ কর্মসূচিতে যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেন তারা তাদের প্রতিবেশীদের মধ্যেও ডেঙ্গি বিষয়ে সচেতনতার প্রচার করতে পারে।

Advertisement

নির্দেশিকা হাতে পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে জেলার শিক্ষা দফতরে রিপোর্ট জমা করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে নির্দেশের বাস্তবতা নিয়ে। স্কুলের মাধ্যমে এই সরকারি উদ্যোগের সরাসরি বিরোধিতা না করলেও শিক্ষকদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি থাকা সময় নিয়ে। বিটি রোড হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষিকা সঙ্ঘমিত্রা ভট্টাচার্য বলেন, “ভাল উদ্যোগ। আমরা প্রতি বছর স্কুল এবং আশেপাশের এলাকায় পড়ুয়াদের নিয়ে গিয়ে সতচেতনতার প্রচার করে থাকি। কিন্তু এ বার ভোট পর্বের মধ্যে এই কাজ কী করে করা হবে?” তাঁর দাবি, স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। এ সময় পড়ুয়াদের একসঙ্গে স্কুলে নিয়ে আসাও যাচ্ছে না। ফলপ্রকাশের আগে কিছু সম্ভব নয় বলেই তাঁর মত।

এক ডিআই অবশ্য জানান, যেখানে সমস্যা রয়েছে সেই স্কুলগুলি নির্বাচনের নির্দেশ কর্যকর করতে পারবে।

তবে সমস্যা রয়েছে অন্যত্রও। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘‘স্কুল চত্বর পরিষ্কার করে আবর্জনা কোথায় ফেলা হবে তার কোনও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকে না।’’ সে ক্ষেত্রে পুরসভা বা পঞ্চায়েতগুলির সাহায্য প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষকেরা।

শিক্ষক নেতা স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘আমার মনে হয় পুরসভা ও পঞ্চায়েতগুলি এক সঙ্গে এই কাজ করলে ভাল হয়। তা হলে যে উদ্দেশে এই পদক্ষেপ, তা প্রকৃত অর্থে সফল হবে।’’

Schools
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy