Advertisement
E-Paper

ভোটের কাজে এসএসসি কর্মীরা! কী ভাবে শেষ হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া! ফের আদালতের দ্বারস্থ কমিশন

ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসএসসি-র কর্মী-আধিকারিকেরা সকলেই নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন। ফলে কী ভাবে এগোবে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া, কী ভাবেই বা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারিত ৩১ অগস্টের মধ্যে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৫
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

এপ্রিলে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। আবার এরই পাশাপাশি চলছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। কিন্তু নির্বাচনী কাজে কমিশনের কর্মী-আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ায় বাড়ছে জটিলতা।

ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসএসসি-র কর্মী-আধিকারিকেরা সকলেই নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন। ফলে কী ভাবে এগোবে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া, কী ভাবেই বা নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা যাবে সুপ্রিম কোর্ট নির্ধারিত ৩১ অগস্টের মধ্যে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এ বার ওই সময়সীমা আরও একটু বাড়িয়ে দেওয়ার আর্জি জানাতে ফের আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে কমিশন।

গত বছর এপ্রিলে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির দায়ে চাকরি বাতিল হয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। তার পর থেকে আদালতের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। কিন্তু আসন্ন বিধানসভার নির্বাচনের জন্য কমিশনের সিংহভাগ কর্মীকে নির্বাচনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে বলে খবর।

এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের মোট ৩৫ জন কর্মী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৬ জনকে নির্বাচনী কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে তথ্য যাচাই, কাউন্সেলিং এবং ইন্টারভিউয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলি সম্পূর্ণ করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কমিশনকে। কমিশনের তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে।

প্রাথমিক ভাবে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। পরে কমিশন ও রাজ্য সরকার অতিরিক্ত সময় চেয়ে নেয় শীর্ষ আদালতে। স্থির হয় ৩১ অগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। ওই সময়সীমা পর্যন্তই সবেতন শিক্ষকতা করতে পারবেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা।

এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “নিয়োগের মতো বড় প্রক্রিয়া চালাতে লোকবল প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচনী কাজে অধিকাংশ কর্মী-আধিকারিকে নিযুক্ত করায় আমরা বিপদে পড়েছি। বাধ্য হয়েই আদালতে ফের অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন জানাতে হয়েছে।”

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম পর্যায়ে দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। চলতি মাসের শেষ থেকে নবম-দশমের তথ্য যাচাই ও কাউন্সেলিং শুরু হবে। অন্য দিকে শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মূল্যায়নের কাজও চলছে।

WBSSC WB Teachers WB Assembly Election
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy