Advertisement
E-Paper

টোলগুলিকে মূল স্রোতে ফেরাতে পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণের পাশাপাশি এক গুচ্ছ পদক্ষেপ সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের

আপাতত আলোচনা হয়েছে দেশের অন্যান্য সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানেও সংস্কৃত ভাষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, ইংরেজির মতো বিষয়গুলিও অল্প হলেও কোর্সে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, কোর্সগুলি যেন ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ডিগ্রির সমতুল্য হয় সেই চেষ্টাও করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩৫
সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ।

সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় । ছবি: সংগৃহীত।

পড়ুয়ারা এখনও পণ্ডিত মহাশয়ের কাছে যান শাস্ত্রের পাঠ নিতে। জ্ঞান অর্জন হয় ঠিকই, কিন্তু কোনও মূল্যায়ন বা শংসাপত্র পাওয়া যায় না। আগ্রহের খাতিরেই এই রাজ্যে কোনও ভাবে টিকে রয়েছে প্রায় ৩২৮টি টোল বা চতুষ্পাঠী। সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই টোলগুলিতে সংস্কৃতের পাঠ নিতে যান পড়ুয়ারা। কিন্তু গত প্রায় ১৮ বছর ধরে সেখানে কোনও পরীক্ষাই হয়নি বলে জানা যাচ্ছে। এ বারে সেই টোল এবং সংস্কৃত ভাষার পড়াশোনাকে মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে কাজ শুরু করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, শেষ বারের মতো ওই টোলগুলিতে পরীক্ষা হয়েছিল ২০০৭-২০০৮ সাল নাগাদ। গত জানুয়ারিতে পরীক্ষার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলেই সূত্রের খবর। বঙ্গীয় সংস্কৃত শিক্ষা পরিষদের অধীনে ছিল এই টোলগুলি। বর্তমানে সেগুলি সংস্কৃত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়ে টোলগুলির হাল ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অয়ন ভট্টাচার্য। সঙ্গে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটিও গঠন করা হয়ে গিয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রাথমিক ভাবে প্রথমে টোলের কোর্সগুলির আমূল পরিবর্তন করতে চলেছেন তাঁরা। আপাতত আলোচনায় ঠিক হয়েছে দেশের অন্যান্য সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানেও সংস্কৃত ভাষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, ইংরেজির মতো বিষয়গুলিও কোর্সে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাস্তবে যেন সেই শিক্ষার প্রয়োগ যথাযথ হয় সেটাও মনে রাখা হচ্ছে বলে খবর। পাশাপাশি, কোর্সগুলি যেন ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ডিগ্রির সমতুল্য হয় সেই চেষ্টাও করা হচ্ছে। এ ছাড়া ওই কোর্সগুলি পাশ করে যে ডিগ্রি পড়ুয়ারা পাবেন সেগুলি পেশাগত জীবনে বা বাস্তবে যেন সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারেন সেই দিকে লক্ষ্য রেখে ওই কমিটি কাজ করছে বলে জানা যাচ্ছে। উপাচার্য বলেন, ‘‘এই টোলগুলি আমাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত। আমরা চাইছি টোলগুলিকে ফের সঠিক ভাবে চালু করতে। আমাদের দিক থেকে সব রকমের পদক্ষেপ করা হবে।’’

Advertisement
Toll sanskrit
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy