নতুন শিক্ষাবর্ষের জন্য পাঠ্যবই প্রকাশ করেছে এনসিইআরটি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব স্কুলে বই পাঠানো এখনও সম্ভব হয়নি। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার পাঠ্যবই বণ্টন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। ওই বৈঠকে কেন্দ্রের স্কুল শিক্ষা ও স্বাক্ষরতা বিভাগের সচিব, এইসিইআরটি এবং শিক্ষামন্ত্রকের আধিকারিকদের তিনি নির্দেশ দেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পড়ুয়ারা যাতে সব বই পেয়ে যায়, তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যে এলাকা ভিত্তিক যে সব স্কুলে পাঠ্যবই পাঠানোর কথা, তা পৌঁছে যাওয়া পর্যন্ত নজরদারির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। বিশেষ করে প্রান্তিক এবং গ্রামের স্কুলগুলির ক্ষেত্রে আরও গুরুত্ব দিতে হবে এনসিইআরটি-কে।
আরও পড়ুন:
এ জন্য প্রয়োজনে রাজ্য এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। বই না পৌঁছানো পর্যন্ত পড়ুয়াদের যাতে পঠনপাঠনে সমস্যা না হয়, তা সুনিশ্চিত করতে অনলাইন মাধ্যম ব্যবহারেও জোর দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। পড়ুয়ারা যাতে এনসিইআরটি-র ওয়েবসাইট থেকে বই ‘ডাউনলোড’ করে পড়তে পারে, সেই তথ্য স্কুলগুলিকেই জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
উল্লেখ্য, এনসিইআরটি-র নতুন পাঠ্যবই প্রকাশিত হওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ কমিটি বার বার যাচাই করে নিচ্ছে। অন্য বইগুলিয়ের ক্ষেত্রে যাতে কোনও বিতর্ক তৈরি না হয়, তা নিয়ে অতিরিক্ত সতর্ক কমিটি। সম্প্রতি এনসিইআরটি-র অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইয়ের ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ শীর্ষক অধ্যায়ে বিচারব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে উল্লেখ করায় বইটি নিষিদ্ধ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপরই প্রতিটি বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় খতিয়ে দেখার পরই তা প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।