স্নাতকে আসন বেশি, অপরিকল্পিত ভাবে তা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেই এখন ফাঁকা পড়ে থাকছে। এমনই দাবি করলেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী।
শনিবার কলকাতার বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্ব এমএসএমই দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই স্নাতকে ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘উচ্চ মাধ্যমিকে পাশ করছে ছয়-সাড়ে ছ’লক্ষ পড়ুয়া। সেখানে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়-সাড়ে ন’লক্ষ আসন। রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে একের পর এক কলেজ তৈরি করা হয়েছিল। অপরিকল্পিত ভাবে আসন বৃদ্ধির কারণে সমস্যা হচ্ছে।’’
উচ্চশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, গত ১৯ মে স্নাতকে ভর্তি হওয়ার জন্য যে পোটার্ল চালু করা হয়েছিল। সেখানে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৩ লক্ষের বেশি পড়ুয়া। শনিবার থেকে কলেজে কলেজে নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। দেখা গিয়েছে, রাজ্য জুড়েই স্নাতকে ভর্তির সংখ্যা কম। কলকাতার পরিস্থিতি আরও খারাপ বলে মনে করা হচ্ছে।
হিসাব বলছে, সার্বিক ভাবে রাজ্যে প্রথাগত স্নাতকে ভর্তির প্রবণতা কমছে। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী অবশ্য পরোক্ষে বিগত সরকারের অদূরদর্শীতাকেই কটাক্ষ করেছেন।
দফতর সূত্রের খবর, কলকাতার কলেজগুলির জন্য মোট অনুমোদিত আসনের সংখ্যা ৯৩ হাজার। অথচ, মাত্র ৩৩ হাজার ভর্তি হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার ক্ষেত্রেও সেই সংখ্যা মাত্র ৩২ হাজার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা আরও কম। ৭২ হাজারের মধ্যে ভর্তি হয়েছে মাত্র ২৬ হাজার।