Advertisement
E-Paper

ক্লাসে মন নেই হবু শিক্ষকদের! উপস্থিতি নিয়ে এ বার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছেন কর্তৃপক্ষ

পড়ুয়াদের উপস্থিতি পর্যাপ্ত না হলে আইন মেনে ব্যবস্থা নিতে চলেছে স্টেট কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (এসসিইআরটি )।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫৯

ছবি: এআই।

খাতায় কলমে নাম রয়েছে। কিন্তু ক্লাসঘরে তাঁদের হাতে গোনা উপস্থিতি। অথচ, তাঁরাই আগামী দিনের প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকের পড়ুয়াদের শিক্ষক হয়ে উঠবেন।

এই অবস্থায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে উপস্থিতির হিসাব রাখার কথা ভাবছে পশ্চিমবঙ্গের স্টেট কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং (এসসিইআরটি )। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে উপস্থিতির হিসাব রাখা হবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেই। এমনকি পর্যাপ্ত উপস্থিতি না থাকলে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়া হবে না বলেও দেওয়া হয়েছে হুঁশিয়ারি।

এসসিইআরটি সূত্রের খবর, গোটা রাজ্যে সরকার এবং সরকারপোষিত ২১টি কলেজে ডিএলএড কোর্স করানো হয়। প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিকে চাকরি পেতে হলে এই ডিগ্রি আবশ্যক। অর্থাৎ, এই ডিগ্রির জন্য যাঁরা ক্লাস করতে আসেন, তাঁদের বেশির ভাগই ভবিষ্যতে শিক্ষক হিসাবে পেশা নির্বাচন করবেন। পার্ট-ওয়ান এবং পার্ট-টু মিলিয়ে দু’হাজারেরও বেশি পড়ুয়া রয়েছে। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, উপস্থিতির হার অতি নগণ্য।

কী রয়েছে সেই বিজ্ঞপ্তিতে ?

এসসিইআরটি-র এক কর্তা জানান, কলেজগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পড়ুয়াদের উপস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করতে হবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে। সব কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, গুরুত্ব সহকারে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে। পর্যাপ্ত উপস্থিতি না থাকলে যেন উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হয়, সে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, এসসিইআরটি-র সদর দফতরের দুই আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গোটা রাজ্যের এই বায়োমেট্রিক ব্যবস্থার উপর নজরদারি করার।

কিন্তু তাতে কি আদৌ পরিস্থিতির বদল হবে?

উত্তরে কলকাতায় এসসিইআরটি দফতরের এক করতে জানান, নিয়ম অনুযায়ী ৮০ শতাংশ উপস্থিতি থাকা বাধ্যতামূলক। ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার কথা। তিনি বলেন, “যাঁরা এই প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, তাঁরা আগামী দিনের শিক্ষক। ফলে এমন গাফিলতি মেনে নেওয়া যায় না। এত দিন প্রশিক্ষকদের বা শিক্ষাকর্মীদের বায়োমেট্রিক উপস্থিতর ব্যবস্থা ছিল। এ বার একপ্রকার বাধ্য হয়েই প়ড়ুয়াদের জন্যও সে ব্যবস্থা করতে হল।”

তবে বেসরকারি কলেজগুলির ক্ষেত্রে কী হবে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কারণ সেখানেও উপস্থিতির হার নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানান, যে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ হস্তক্ষেপ করতে পারে। তবে শিক্ষক স্বপন মণ্ডল জানান, উপস্থিতির জন্য কড়া অবস্থান নেওয়া হয়েছে ভাল , কিন্তু স্কুল শিক্ষা দফতরের কর্মী এবং অফিসারদের জন্যও এই ব্যবস্থা শুরু হয় প্রয়োজন।

WB DElEd Colleges west bengal school education department
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy