Advertisement
E-Paper

ঘুমের ভুলে হার্টের রোগের ঝুঁকি! ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমোনোই যথেষ্ট নয়, অসুস্থ হওয়ার আগেই শুধরে নিন

রাত জেগে সিরিজ় দেখা, এক দিন রাত ১০টায় ঘুমোনো তো পরের দিন রাত ২টোয়— এখনকার ব্যস্ত জীবনে অনিয়মিত ঘুম যেন খুব সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু এর ফলেই ঝুঁকি বাড়ছে হার্টের রোগের।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ মে ২০২৬ ২১:০৫
হার্টের রোগের জন্য দায়ী কি ঘুমের ভুল?

হার্টের রোগের জন্য দায়ী কি ঘুমের ভুল? ছবি: সংগৃহীত।

রোজ ৬-৯ ঘণ্টা ঘুমোচ্ছেন। ঘুমের দৈর্ঘ্য নিয়ে কোনও আপস পছন্দ নয় আপনার। কিন্তু তবু শরীরের প্রদাহ কমছে না, ক্লান্তি জমে রয়েছে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন। আসলে ঘুমের দৈর্ঘ্যে নয়, ভুল থেকে যাচ্ছে ঘুমের সময়ে। আর সেখান থেকেই হার্টের মতো অঙ্গে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। ঘুমের নির্দিষ্ট সময় না থাকা আসলে শরীরের উপর অত্যাচার করার সমান।

রাত জেগে সিরিজ় দেখা, এক দিন রাত ১০টায় ঘুমোনো তো পরের দিন রাত ২টোয়— এখনকার ব্যস্ত জীবনে অনিয়মিত ঘুম যেন খুব সাধারণ ব্যাপার। অনেকেই ভাবেন, ঘুমের সময় একটু এ দিক-ও দিক হওয়ায় বড় কোনও ক্ষতি হয় না। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাসই নীরবে ক্ষতি করতে পারে হৃদ্‌যন্ত্রের। চিকিৎসকদের বক্তব্য, অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি খুবই ক্ষতিকারক। প্রতি দিন আলাদা সময়ে শুতে যাওয়া এবং ওঠার অভ্যাস শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম বা প্রাকৃতিক জৈবঘড়ির ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়। এই ছন্দই আসলে নিয়ন্ত্রণ করে হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ, হরমোন ক্ষরণকে। আর সেই ছন্দেই যদি পতন ঘটে, তা হলে তার প্রভাব শরীরে পড়বেই। ঘুমের সময় নিয়মিত বদলাতে থাকলে শরীরে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়তে পারে। রক্তচাপ রাতে স্বাভাবিক ভাবে কমে যাওয়ার কথা, কিন্তু এই অনিয়মের ফলে তা-ও বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হার্ট ও রক্তনালির উপর চাপ বাড়তে থাকে।

রোজ ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করবেন কোন উপায়ে?

· প্রথমে ঘুমের সময়টি নির্দিষ্ট করুন। কখন ঘুমোতে যাবেন, কখন উঠবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা করে নিন নিজের কাজের ভিত্তিতে।

· ঘুম থেকে ওঠার জন্য ঘড়িতে অ্যালার্ম দেন? ঘুমোতে যাওয়ার জন্যও তেমনই এক অভ্যাস তৈরি করলে কেমন হয়? অনেক সময়ে, ঘ়়ড়ি এগিয়ে যায়, আপনি শুতেও ভুলে যান সিনেমা বা বইয়ের দৌলতে অথবা কাজের চাপে। সে ক্ষেত্রে ঘড়িতে রিমাইন্ডার দিতে পারেন। যখনই আপনার ফোন আপনাকে ঘুমোতে যাওয়ার কথা মনে করাবে, আপনাকে যে কোনও ডিভাইস বা বই ছেড়ে শুয়ে পড়তে হবে। ঘুম না এলেও বিশ্রামের আবহ তৈরি করা দরকার।

· সন্ধ্যার পর ক্যাফিন সেবনের পরিমাণ কমানো দরকার। তা হলে ধীরে ধীরে ঘুমের সময় এগিয়ে আসতে পারে। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার ঝুঁকি কমতে পারে।

· ঘুমোনোর প্রায় ৩০ মিনিট আগেই ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে চোখকে দূরে রাখা উচিত। নয়তো ব্লু-লাইট মেলাটোনিন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

Sleeping Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy