Advertisement
E-Paper

আর্জি জানাতে হবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাছে! টেট নিয়ে কোনও কথা বলতে চান না রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী

২০২৫-এ সুপ্রিম কোর্ট এক মামলার প্রেক্ষিতে রায় দিয়েছে, প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকদের টেট উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। এ জন্য ২০২৮-এর সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। যাঁদের টেট যোগ্যতা নেই, তাঁদের ওই সময়ের মধ্যে টেট উত্তীর্ণ হতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ১৭:২১

ছবি : ফাইল চিত্র।

টেট জটিলতা থেকে কি কার্যত দায় ঝেড়ে ফেললেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন? তেমনই ইঙ্গিত মিলল মঙ্গলবার, ধারণা শিক্ষামহলের একাংশের। এ দিন বিজেপি শিক্ষক সেলের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, বিষয়টি কেন্দ্র এবং সুপ্রিম কোর্টের আওতাধীন। এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই।মঙ্গলবার কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে বিজেপি শিক্ষক সেলের সদস্যেরা। সেখানেই এক শিক্ষক টেট নিয়ে প্রশ্ন করেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রীকে। তিনি কার্যত এড়িয়ে যান বিষয়টি। তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।”

২০২৫-এ সুপ্রিম কোর্ট এক মামলার প্রেক্ষিতে রায় দিয়েছে, প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকদের টেট উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যক। এ জন্য ২০২৮-এর সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। যাঁদের টেট যোগ্যতা নেই, তাঁদের ওই সময়ের মধ্যে টেট উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে যাঁরা আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে অবসর নেবেন, তাঁদের আর ওই পরীক্ষায় বসতে হবে না।

শিক্ষার অধিকার আইন, আরটিই ২০০৯ এবং এনসিটিই ২০১০-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতার জন্য টেট পাশ করা ন্যূনতম এবং বাধ্যতামূলক যোগ্যতা। কিন্তু সমস্যা হয়েছে ২০১১ পর্যন্ত শিক্ষকতায় নিযুক্তদের নিয়ে। কারণ চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন তাঁরা।এরই প্রতিবাদে সারা দেশ জুড়ে চলছে আন্দোলন। সারা দেশের প্রায় ২০ লক্ষ শিক্ষকের উপর এই রায়ের প্রভাব পড়বে। চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। যদিও মঙ্গলবার শিক্ষামহলের একাংশ দাবি করছে সত্যিই রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রীর এ বিষয়ে কিছু করার নেই। কিন্তু যে হেতু ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার, তাই তাঁরা কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করবেন বলেই আশা ছিল।

এ দিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সে‌বক সংঘের ভাবধারায় গঠিত শিক্ষক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের (বিদ্যালয় শাখা) তরফেও গোটা দেশ জুড়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। রাস্তায় নেমেছে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর কার্যত চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন বহু শিক্ষক। এই অবস্থায় একমাত্র কেন্দ্র আইন সংশোধন করে এই অবস্থা থেকে শিক্ষকদের বাঁচাতে পারে। মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক শিক্ষক বলেন, ‘‘কেন্দ্র রাজ্য একই দলের হওয়ার পরেও যদি স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী জানিয়ে দেন যে তাঁর কিছু বলার নেই। সেটা খুবই আক্ষেপের।’’

TET

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy