Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১০ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

উদ্যোগী রাজ্য, পরীক্ষার জট কাটল প্রেসিডেন্সিতে

রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপেই অবশেষে প্রেসিডেন্সি পরীক্ষার জট কাটল। মঙ্গলবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যৌথ সাংবাদিক সম্ম

নিজস্ব সংবাদদাতা
০২ জুন ২০১৫ ২০:০৭
Save
Something isn't right! Please refresh.
Popup Close

রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপেই অবশেষে প্রেসিডেন্সি পরীক্ষার জট কাটল।

মঙ্গলবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডই প্রবেশিকা পরীক্ষা নেবে। ১২ জুলাই পরীক্ষার দিন ঠিক হয়েছে। ১৬ জুন থেকে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করা যাবে।

সাধারণত প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়েই প্রেসিডেন্সিতে ছাত্রভর্তি হয়। কিন্তু পরিকাঠামোগত কারণে এ বার পরীক্ষা পদ্ধতি বদলানো যায় কি না, তা নিয়ে গত এপ্রিল থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছিল। কারণ গত বছর প্রেসিডেন্সির প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসার জন্য ২০ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু সব প্রার্থীর বসার জন্যে সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্ত়ৃপক্ষ। প্রার্থীদের সঙ্গে থাকা গাড়ির চাপে কলেজ স্ট্রিটে যানজট হয় বলেও লালবাজার থেকে তাঁদের জানানো হয় বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

Advertisement

গত এপ্রিল মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা গভর্নিং বোর্ডের বৈঠক হয়। সেখানে স্থির হয় কোনও বিভাগ চাইলে প্রবেশিকা পরীক্ষা নিতে পারবে। ওই দিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় একাধিক কেন্দ্র করে বা কোনও বাইরের সংস্থার সাহায্যে প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, তা-ও ভেবে দেখা হবে। যে কারণে গত এপ্রিলে প্রবেশিকা পরীক্ষা ছাড়া অন্য কোনও পদ্ধতিতে ছাত্রভর্তি করা যায় কি না, বিভাগীয় প্রধানদের মতামত জানতে চেয়ে ই-মেলও পাঠান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর পরেই আন্দোলন শুরু করেন ছাত্রছাত্রীরা। এমনকী, উপাচার্যকে ঘেরাও করেন ছাত্রছাত্রীরা।

কিন্তু ছাত্র-শিক্ষক থেকে প্রাক্তনীদের একটা বড় অংশ বিভিন্ন বিভাগের উপর দায়িত্ব না ছেড়ে কেন্দ্রীয় ভাবে প্রবেশিকা পরীক্ষার পক্ষে মত দেন। এমনকী, গভর্নিং বোর্ডের সদস্যদেরও বেশির ভাগ সমস্ত বিভাগেই প্রবেশিকা পরীক্ষার পক্ষে। কারণ, এর ফলে যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে।

এর পরেই দফায় দফায় আন্দোলন শুরু করেন পড়ুয়ারা। মে মাসে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের মতো বোর্ডের সাহায্যে প্রবেশিকা পরীক্ষা করানোর দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেন প্রেসিডেন্সির প্রাক্তনীরা। তার পরেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় উদ্যোগী হন। গত মে মাসেই তিনি জানান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যদিও গত বছরই জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের কাছে প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিল প্রেসিডেন্সি। কিন্তু বোর্ড আবেদনে সাড়া দিতে পারেনি। কিন্তু এ বারে সরকারের প্রস্তাব পেলে যে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে তার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন বোর্ডের চেয়ারম্যান ভাস্কর গুপ্ত। এ দিন তারই প্রতিফলন ঘটেছে বলে শিক্ষা মহলের মত।

এ দিন উপাচার্য বলেন, ‘‘এ এক ঐতিহাসিক দিন। জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মতো একটি বোর্ড এই দায়িত্ব নেওয়ার আমরা খুশি।’’ পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। একই সুর বোর্ডের চেয়ারম্যান ভাষ্কর গুপ্তের গলাতেও। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের বোর্ডকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement