Advertisement
E-Paper

অপহরণ করে শিশু খুন নাগপুরে

ক্লিনিকের চাকরি থেকে দুই কর্মীকে বরখাস্ত করেছিলেন নাগপুরের এক চিকিত্সক। তারই প্রতিশোধ নিতে ওই চিকিত্সকের আট বছরের ছেলেকে অপহরণের পর খুন করল ওই দুই কর্মী। পুলিশি জেরায় তারা অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে। মহারাষ্ট্র পুলিশ সূত্রে খবর, নাগপুরের ছাপরুনগর এলাকার দন্ত চিকিত্সক মহেশ চন্দকের ক্লিনিকে কাজ করত রাজেশ (১৯) এবং অভিলাষ (২৩) নামের দুই যুবক।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১৮:০২

ক্লিনিকের চাকরি থেকে দুই কর্মীকে বরখাস্ত করেছিলেন নাগপুরের এক চিকিত্সক। তারই প্রতিশোধ নিতে ওই চিকিত্সকের আট বছরের ছেলেকে অপহরণের পর খুন করল ওই দুই কর্মী। পুলিশি জেরায় তারা অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে।

মহারাষ্ট্র পুলিশ সূত্রে খবর, নাগপুরের ছাপরুনগর এলাকার দন্ত চিকিত্সক মহেশ চন্দকের ক্লিনিকে কাজ করত রাজেশ (১৯) এবং অভিলাষ (২৩) নামের দুই যুবক। মনোমালিন্য হওয়ায় ওই দুই যুবককে দিন পনেরো আগে চাকরি থেকে ছাড়িয়ে দেন মহেশবাবু। তারই প্রতিশোধ নিতে ওই চিকিত্সকের আট বছরের ছেলেকে অপহরণের ছক কষে রাজেশ এবং অভিলাষ। গত সোমবার সেই পরিকল্পনা মতো স্কুল থেকে ফেরার পথে মহেশবাবুর ছেলেকে অপহরণ করে ওই দু’জন। ক্লোরোফর্ম মেশানো রুমাল তার মুখে চেপে ধরা হয়। তার পরে তাকে বাইকে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

রাতের দিকে নাম পাল্টে ওই চিকিত্সককে ফোন করে ১০ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অভিযুক্তরা। পুলিশে খবর দিলে ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। কিন্তু হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করে স্থানীয় লাকাদগঞ্জ থানায় রাজেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন ওই চিকিত্সক। পুলিশ সূত্রে খবর, এর পরেই অপহৃতকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় অভিযুক্তরা। ছাপরুনগর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করে রাজেশরা। মৃত্যু নিশ্চিত করতে পাথর দিয়ে তার মাথাও থেঁতলে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, এর পর দেহটি বালির ভেতর পুঁতে দেয় অভিযুক্তরা।

মহেশবাবুর অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার ওই দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অপহরণ এবং খুনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy