পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত তিন দফায় অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হল। তবে নিষ্পত্তি হওয়া কত জন ভোটারের নাম এই তৃতীয় অতিরিক্ত তালিকায় রয়েছে, তা আলাদা ভাবে প্রকাশ্যে আনেনি কমিশন।
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকার প্রাথমিক অংশ প্রকাশ করেছিল কমিশন। এর পর গত ২৩ মার্চ প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে তারা। শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকাও। এ বার তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃতীয় অতিরিক্ত তালিকাও প্রকাশ করে ফেলল কমিশন।
গত সোমবার (২৩ মার্চ) বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ হয়। কমিশন জানায়, সে দিনের তালিকায় ২৭ লক্ষের কাছাকাছি নাম প্রকাশ করা হয়েছিল। দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকার সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছিল প্রায় ৩৭ লক্ষের নাম। কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে প্রায় ৩৮ লক্ষ ভোটারের তথ্য।
তবে যাঁদের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে কত জনের নাম বৈধ ভোটার হিসাবে জুড়েছে এবং কত জন বাদ পড়েছেন, তা আলাদা ভাবে প্রকাশ্যে আনেনি কমিশন।
আরও পড়ুন:
২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন বিবেচনাধীন ভোটার ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই তালিকা ৭০৫ জন বিচারক নিষ্পত্তি করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিষ্পত্তি হওয়া তালিকা ধাপে ধাপে বার করার কথা জানিয়েছে কমিশন। সেই অনুযায়ী সোমবার রাতে প্রথম অতিরিক্ত তালিকা বার হয়।
এসআইআর শুরু হওয়ার আগে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম। সেই তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে ‘চূড়ান্ত ভোটার তালিকা’ প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় বাদ পড়ে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বাদের হিসাব দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত