পশ্চিমবঙ্গে বুথের সংখ্যা আরও বাড়ল। নতুন করে ৪৬৬০টি সহায়ক ভোটকেন্দ্র তৈরি করল নির্বাচন কমিশন। এর ফলে রাজ্যে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৫ হাজার ৩৭৯। ভোটারদের সুবিধার্থেই ভোটকেন্দ্র বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার থেকে পোস্টাল ব্যালটে রাজ্যের ভোটকর্মীদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোট দিয়ে তাঁরা বুথ সামলাতে যাচ্ছেন। কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি অতিরিক্ত বুথে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখতে হবে। ভোটারদের যাতে কোনও সমস্যা না-হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। বুথে বিদ্যুৎ পরিষেবা, শৌচালয় এবং পানীয় জলের বন্দোবস্ত দেখতে বলা হয়েছে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও)।
জেলায় জেলায় ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ চলছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের শেষ দিন ওই ভোটকর্মীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের ভোট দেবেন। তার পর নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাবেন। প্রথম দফার ভোটের আর ছ’দিন বাকি। ভোটকর্মীদের ভোটদানের প্রক্রিয়া বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
গত ৪ এপ্রিল ভোটকেন্দ্র বৃদ্ধি এবং সহায়ক বুথ তৈরির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছিল কমিশন। এ বার তা কার্যকর করা হল। কমিশন জানিয়েছিল, যে সমস্ত বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ তৈরি করা হচ্ছে। যাতে একটি ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত ভোটারের চাপ না পড়ে। নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরির নিয়মগুলি এ ক্ষেত্রে কঠোর ভাবে মানতে বলা হয়েছিল। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল। ওই দফায় প্রধান বুথ রয়েছে ৪১ হাজার ৪১৮টি। সহায়ক বুথ তৈরি করা হয়েছে ২৯৬০টি। মোট ৪৪ হাজার ৩৭৮টি বুথে প্রথম দফায় ১৫২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফায় মোট বুথের সংখ্যা ৪১ হাজার ১টি। তার মধ্যে প্রধান বুথ ৩৯ হাজার ৩০১টি এবং সহায়ক বুথ থাকছে ১৭০০টি।
কিছু বুথের ঠিকানাও পরিবর্তন করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, অতিরিক্ত বুথ তৈরির কথা এবং বুথের ঠিকানা পরিবর্তন করার কথা সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভাল ভাবে প্রচার করতে হবে। কেউ জানেন না, এমন যেন না হয়। তা ছাড়া, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে লিখিত ভাবে বুথ সংক্রান্ত নতুন তথ্য জানিয়ে দিতে হবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৩:১১
অধ্যাপকদের ভোটে প্রিসাইডিং অফিসার করা হচ্ছে কেন? হাই কোর্টে সদুত্তর দিতে পারল না নির্বাচন কমিশন, খারিজ নির্দেশ -
১৩:০৮
পার্টি অফিসে, প্রার্থীর বাড়িতে হানা দিচ্ছে, আমার প্লেনেও তল্লাশির চেষ্টা! ‘ভোটে এজেন্সি নিয়োগ’ নিয়ে আক্রমণে মমতা -
১১:৪৪
এ বার কালীঘাটে আয়কর হানা! তল্লাশি তৃণমূল নেতার বাড়িতে, বাইরে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী, বিক্ষোভ দলের কর্মী-সমর্থকদের -
০৮:০৬
ভোর ৫টা থেকে শুরু হয়েছে, দেবাশিস কুমারের বাড়িতে এখনও চলছে আয়কর তল্লাশি! অভিযান নির্বাচনী কার্যালয়েও -
২৩:০৪
ভোটের আগে রাজ্যে বাজেয়াপ্ত ১৯৭ কোটি নগদ! মদ, মাদক এবং অন্যান্য সামগ্রী-সহ উদ্ধার মোট ৪১৭ কোটি