×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৫ জুন ২০২১ ই-পেপার

Bengal Polls: ‘বাড়িতে মা-বোন’ নিয়ে ঠিক কী বলেছেন কৌশানী? এখনও নিন্দাই করছেন শ্রীলেখা

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৪ এপ্রিল ২০২১ ১৩:১৪
কৌশানী মুখোপাধ্যায় এবং শ্রীলেখা মিত্র।

কৌশানী মুখোপাধ্যায় এবং শ্রীলেখা মিত্র।

দিন দুই আগে কৃষ্ণনগর উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। ওই কেন্দ্রে তাঁর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নেতা মুকুল রায়। ঘটনাচক্রে ‘মুকুল রায়’ নামের এক ফেসবুক পেজে কৌশানীর একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়। যেখানে তৃণমূল প্রার্থীকে বলতে শোনা যায়, ‘ঘরে সবার মা বোন আছে, ভোটটা ভেবে দিবি’। ওই ভিডিয়ো-র সত্যতা অবশ্য আনন্দবাজার ডিজিটাল যাচাই করেনি। মুকুল রায়ও সে সময় বলেছিলেন, ওই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তাঁর নয়। ঘটনাচক্রে, রবিবার আরও একটি ভিডিয়ো নেটমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে কৌশানীকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ঘরে সবার মা-বোন আছে। ভোটটা ভেবে দিবি। মা-বোনেদের সুরক্ষার কথা ভেবে দিবি। দিদি না থাকলে মা-বোনেরা সুরক্ষিত না বাংলায়।’’ এই ভিডিয়োটিরও সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডিজিটাল।

প্রথম ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার সময় কৌশানী দাবি করেছিলেন, যে অর্থে তিনি ওই ‘কথা’ বলেছেন তার ভুল ব্যাখ্যা করছে বিজেপি। বলেছিলেন, তাঁর টিমকে বলবেন পুরো ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আনতে। নেটাগরিকদের অনেকেই মনে করছেন, আগের ভিডিয়োটি সম্পাদিত, দ্বিতীয়টি আগের ভিডিয়োটিরই আরও একটু দীর্ঘ ক্লিপিং।

শাসকদলের প্রার্থীর আগের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন বাম সমর্থক শ্রীলেখা মিত্র, বিজেপি কর্মী রূপা ভট্টাচার্য-সহ বহু মানুষ। শ্রীলেখা বলেছিলেন, এখনই কৌশানীর প্রার্থিপদ বাতিল করা উচিত। তারকা-প্রার্থীকে ‘ভদ্র’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন রূপা। রবিবারের ভিডিয়োটির কথা শ্রীলেখাকে আনন্দবাজার ডিজিটাল জানালে তিনি বলেন, ‘‘ওই ভিডিয়োটি আমাকে পাঠান। আমি সেটি পোস্ট করব।’’ এর কিছু পরেই তিনি সেই ভিডিয়ো ফোসবুকে পোস্ট করেন। এর পর শ্রীলেখা বলেন, ‘‘ও যে ভাবে কথাটা বলছে, সেটা ঠিক নয়। ও বলছে, ‘ভোট দিবি’। ওঁরা গরিব বলে ‘তুই-তুকারি’ করা যায়? যে ভঙ্গিতে কথা বলেছে, সেটা ঠিক হয়নি। বিজেপি যদি ওই ভিডিয়ো সম্পাদনা করে ভাইরাল করে থাকে, তা হলে সেটাও অন্যায় করেছে। যেটা আগে ভাইরাল হয়েছে, সেটা দেখেছি। সেটা দেখে মনে হচ্ছে ও হুমকি দিচ্ছে। পরের ভিডিয়োটাও পোস্ট করলাম। কিন্তু, আমার প্রশ্ন ভোট চাইতে গিয়ে ‘তুই-তোকারি’ করবে কেন? এই শরীরী ভাষা তো বাম দলের কোনও নেতার মধ্যে দেখিনি।’’

Advertisement

রবিবারের ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসার পর কৌশানীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন তোলেননি। রবিবার বেলা ১২টার সময় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁকে পাঠানো মেসেজেরও উত্তর দেননি। অন্য দিকে, এই ভিডিয়ো নিয়ে বিজেপি আগে কিছু বলেনি। রবিবার যে ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে, তা নিয়েও তারা কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

দেখুন রবিবার ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োটি।


Advertisement