ডেটা সায়েন্টিস্টদেরই শুধুমাত্র তথ্য সংক্রান্ত কাজের দক্ষতা বা ডেটা লিটারেসি থাকা দরকার, তা কিন্তু নয়। স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে শিক্ষা, জননীতি নির্ধারণ থেকে মার্কেটিং— সর্বত্রই ডেটা লিটারেসি প্রয়োজন।
কী এই ডেটা লিটারেসি?
কোনও তথ্য পড়ে বুঝতে পারা, তা বিশ্লেষণ করা, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করা— এই সমস্ত বিষয়কে একত্রে ডেটা লিটারেসি বলা হয়। বিভিন্ন ধরনের তথ্যের তালিকা থেকে বাস্তব প্রবণতা বোঝা, তা থেকে রিপোর্ট তৈরির কাজও এই বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের করতে হয়।
— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
কেন প্রাসঙ্গিকতা বাড়ছে?
বহুজাতিক সংস্থাগুলি তথ্য নির্ভর গবেষণা এবং কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছে। যে কোনও সমস্যার সমাধান বিপুল তথ্যের ভান্ডারে লুকিয়ে থাকার কারণ তারা এমন পেশাদার নিয়োগ করতে চাইছে, যাঁরা বাজারের চাহিদা বিশ্লেষণ করতে কিংবা কর্মীদের কাজের মান বিশ্লেষণ করতে পারবেন। বিশ্লেষণমূলক ভাবনাকে গতি দিতে তাই ডেটা লিটারেসি-র চল বাড়ছে মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স, পলিসি মেকিং, স্বাস্থ্য পরিষেবা, ফিন্যান্স বিভাগের সংস্থাগুলিতে।
একাধিক কাজ একসঙ্গে করার সুযোগ:
একসঙ্গে অনেক কাজ একসঙ্গে করতে পারার জন্য ডেটা লিটারসি-র প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাই তথ্য সংগ্রহ, তা বিশ্লেষণ করা এবং প্রাপ্ত তথ্যের সাহায্যে রিপোর্ট তৈরি করা জন্য আলাদা আলাদা পদে কর্মী নিয়োগের বদলে সেই কাজ একজনই করে নিতে পারবেন।
এআই-কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করা:
ডেটা লিটারেসি থাকলে কৃত্রিম মেধাকে সঠিক এবং নীতিগত ভাবে ব্যবহারের সুযোগ থাকে। কম্পিউটার থেকে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তার কতটা ব্যবহার করা যেতে পারে, কতটা বাদ দিতে হবে— তা তথ্যের স্বাক্ষরতা থাকলে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
রাশিবিজ্ঞান কিংবা তথ্য নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে, এমন বিষয়ের স্নাতকেরা এই দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পেতে পারেন কলেজ স্তর থেকেই। এ ছাড়াও সাংবাদিকতা, গণজ্ঞাপন, মার্কেটিং, ফিনান্স বিভাগে কর্মরত ব্যক্তিরাও এই বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন। তবে, খেয়াল রাখা প্রয়োজন, তথ্যের ভুল অর্থ বিশ্লেষণ করা, কিংবা ব্যক্তিগত অনুমোদন ছাড়াই তথ্যপ্রকাশের মতো কাজ করলে বিপদ হতে পারে।