বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে বহু বছর। তবে আজও সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহের সম্পর্ক নিয়ে বলিউডে আলোচনা হয়। বয়সে সইফের চেয়ে ১৩ বছরের বড় ছিলেন অমৃতা। তবে শুধু বয়সই নয়, ধর্মের জন্যও তাঁদের নিয়ে একসময় বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কিন্তু অমৃতাকে কখনওই ধর্ম পরিবর্তনের জন্য জোর করেননি সইফ। তবে তাঁরা ‘নিকা’ সেরেছিলেন। কী হয়েছিল সেই দিন, প্রকাশ্যে আনলেন পোশাকশিল্পী আবু জানি ও সন্দীপ খোসলা।
অমৃতার মা মুসলিম পরিবারের, তাঁর নাম রুকসানা সুলতানা। বাবা পঞ্জাবি, নাম শিবেন্দ্র সিংহ বির্ক। সইফের মা-বাবা শর্মিলা ঠাকুর ও মনসুর আলি খান পটৌডীও ভিন্ধর্মী। বিয়ের সময় ধর্ম পরিবর্তন করেছিলেন শর্মিলা। কিন্তু স্ত্রী অমৃতাকে কখনও ধর্ম পরিবর্তনের জন্য জোর করেননি বলে জানিয়েছিলেন সইফ।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে আবু ও সন্দীপ জানিয়েছেন, অমৃতা ও সইফ বিয়ের সিদ্ধান্ত হঠাৎই নিয়েছিলেন। সাত-আট মাস সম্পর্কের পরে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন সইফ। তবে সামান্য সংশয়ে ছিলেন অমৃতা। নিকা-র দিন একজন মৌলবী ও শিখ পণ্ডিতকে নিয়ে এসেছিলেন আবু ও সন্দীপ।
আবু ও সন্দীপ বলেছেন, “আমরা নিকানামা-তে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষর করেছিলাম। ওরা হঠাৎই একদিন এসে বলেছিল, বিয়ে করবে।” অমৃতা সেই দিন তাঁর মায়ের গয়না পরে সেজেছিলেন। সইফ পরেছিলেন একটি গলাবন্ধ শেরওয়ানি। নিকা-র সময়ে নতুন নামকরণ হয়েছিল অমৃতা সিংহের। মৌলবী বলেছিলেন, “তোমার নাম কী? তোমার নতুন নামকরণ ‘এ’ দিয়েই করতে হবে।” তিনিই অমৃতার নাম রাখেন ‘অজ়িজ়া’। ২০০৪ সালে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন অমৃতা ও সইফ।