Advertisement
E-Paper

দুই বাংলার ইন্ডাস্ট্রি একজোটে বড় বড় কাজ করলে দর্শক তা দেখবে: চঞ্চল চৌধুরী

দুই বাংলার কাজের পরিবেশ নিয়ে ‘ভালমন্দ’র তুলনা করতে চান না চঞ্চল। কিছু বিষয়ে বাংলাদেশের চলচিত্রজগতে তিনি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে এ পারের চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গে তিনি স্বচ্ছন্দ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪১
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে বললেন চঞ্চল।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে বললেন চঞ্চল। ছবি: সংগৃহীত।

বাংলাদেশ এখনও পেশাদার ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করতে পারেনি। কলকাতায় এসে দুই বাংলার চলচ্চিত্রজগৎ নিয়ে আলোচনায় এমনই মন্তব্য করলেন চঞ্চল চৌধুরী। নির্দিষ্ট কোন কোন নিরিখে এখনও বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে অপেশাদার মনে করেন তিনি?

দুই বাংলার কাজের পরিবেশ নিয়ে ‘ভালমন্দ’র তুলনা করতে চান না চঞ্চল। কিছু বিষয়ে বাংলাদেশের চলচিত্রজগতে তিনি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন এ পারের চলচ্চিত্রজগতের কাজকর্মের সঙ্গে। কিন্তু কোনও রাখঢাক ছাড়াই তিনি বলেন, “ইতিবাচক-নেতিবাচক দুই দিকেই রয়েছে। বাংলাদেশ এখনও পেশাদার ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করতে পারেনি। এটা আমাদের নেতিবাচক দিক। পশ্চিমবঙ্গে আবার সবটা খুব পেশাদার। ক’দিনের মধ্যে শুটিং শেষ করতে হবে, তা প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়। বাজেট সংক্রান্তও স্বচ্ছ ধারণা থাকে।”

তা হলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রিতে কি কাজের সময়সীমা ও বাজেট নিয়ে স্বচ্ছতা থাকে না? চঞ্চলের স্বীকারোক্তি, “আমাদের ওখানে পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। কেউ হয়তো দু’বছর ধরে ছবির খরচ জোগাড় করে একটা ছবি করছেন। কখনও ১ কোটি, কখনও ৫ কোটি, আবার কখনও ১০ কোটিতে দাঁড়াচ্ছে ছবির বাজেট। আমি নিজেও কখনও ১ কোটি, কখনও বা ১০ কোটির ছবিতে কাজ করেছি। নির্দিষ্ট কোনও সীমা নেই।”

Advertisement

এখানেই শেষ নয়। আরও একটি আক্ষেপ রয়েছে চঞ্চলের। বাংলাদেশের বেশ কিছু প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ছবিগুলি দেশের বাইরেও সেই ভাবে দেখার কোনও ব্যবস্থা নেই। “সেই জায়গায় পশ্চিমবঙ্গে তুলনামূলক বেশি ছবি মুক্তি পাচ্ছে, প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যাও বেশি। দেশের বাইরেও ছবিগুলি দেখানো হচ্ছে”, বলেন চঞ্চল। যদিও বাংলাদেশে ওটিটি-র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অভিনেতা। গত কয়েক বছরে ওটিটি-র কল্যাণে বাংলাদেশের ছবি ও সিরিজ় বিদেশেও সমাদৃত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

দুই বাংলার মাঝে সীমারেখা ছাড়িয়ে একজোটে কাজ করলে দর্শক আরও বাড়বে। এমন মনে করেন চঞ্চল। সে ক্ষেত্রে দুই ইন্ডাস্ট্রির নেতিবাচকতাও হ্রাস পাবে। অভিনেতার কথায়, “সারা বিশ্বেই বাংলা ছবির এমনিতেই বড় সংখ্যক দর্শক। সেই দর্শকের জন্য আমাদের একসঙ্গে বড় বড় কাজ করা উচিত।”

উল্লেখ্য, ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’ ছবিতে অভিনয় করেছেন চঞ্চল। গত বছর শান্তিনিকেতনে ছবির শুটিং করেন। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প অবলম্বনে একটি ছবিতে পরীমণির সঙ্গেও অভিনয় করছেন তিনি।

Chanchal Chowdhury
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy