কে স্বরূপ বিশ্বাস? জীবনে নামই শোনেননি! মুখোমুখি হওয়া তো দূরের কথা। প্রাক্তন ফেডারেশন সভাপতির নাম উঠতেই এই প্রতিক্রিয়া রাইমা সেনের। তাঁর আগামী ছবি ‘আবার হাওয়া বদল’ মুক্তি পাচ্ছে ১২ জুন। আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে আড্ডায় মুখোমুখি অভিনেত্রী।
ফ্রেমে প্রেমের রসায়ন পরমব্রত-রাইমার। ছবি: সংগৃহীত।
রাজ্য রাজনীতির পালাবদল থেকে টলিউডের বড় বদল— সেন ও দেববর্মন পরিবারের বড় মেয়ে জানেন সব। বলেন না কিছুই। তাঁর আভিজাত্য, তাঁর সংস্কৃতি— এই ধরনের বিষয় থেকে দূরে থাকার বুদ্ধি দিয়েছে। কিন্তু যে বদল ফি-দিন টলিউডে নানা অশান্তির কারণ, সেই বদল কতটা কাম্য? ফেডারেশন থেকে কনফেডারেশন হয়ে যাওয়া বা গিল্ডের না থাকা কি টলিউডের পক্ষে শুভ? প্রশ্ন করতেই একটু ভেবে রাইমার জবাব, “দেখুন, গত ৫-৬ বছর ধরে এই বদলটাই কিন্তু চাওয়া হচ্ছিল। চাইছিলেন সবাই। অবশেষে সেই বদল এসেছে।” রাইমার দাবি, “এই বদলে আমি খুব খুশি।” তবে ফেডারেশন ভেঙে গিয়ে কনফেডারেশনের উত্থান কিংবা গিল্ডের না থাকা নিয়ে তিনি বিশদে ভাবতে রাজি নন। রাইমার মতে, যা হচ্ছে বা যা হবে, নিশ্চয়ই আগামী দিনের ভালর জন্যই হবে। তার জন্য সময় দিতে হবে। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে সবাইকে।
‘আবার হাওয়া বদল’ ছবিতে রাইমা সেন। ছবি: সংগৃহীত।
আরও একটি ঘটনায় রাইমার মতো ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ খুশি। ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি। তাঁকে ঘিরে প্রচুর অভিযোগ ছিল। গ্রেফতারির পরে প্রায় সকলেই মুখ খুলছেন। স্বরূপকে ঘিরে জমছে অভিযোগের পাহাড়। রাইমারও কি অভিযোগ আছে প্রাক্তন সভাপতিকে ঘিরে? ভয় সরে ভরসা যখন হাতিয়ার, অভিনেত্রী কি সে বিষয়ে অকপট হবেন? প্রশ্ন শুনে আকাশ থেকে পড়লেন তিনি। বললেন, “কে স্বরূপ বিশ্বাস, তা-ই জানি না! কোনও দিন মুখোমুখি হইনি। তার পর তো ভাল-খারাপের প্রশ্ন।” তাই স্বরূপের গ্রেফতারি নিয়ে তিনি প্রতিক্রিয়াহীন।
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক গুঞ্জন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ নাকি ছায়া ফেলেছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং রুদ্রনীল ঘোষের ২৫ বছরের বন্ধুত্বের উপরেও। এই ছবিতে তাঁদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন রাইমা। সম্প্রতি, টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় পরমব্রতকে পাশে নিয়ে ‘আবার হাওয়া বদল’ ছবির প্রসঙ্গ তুলে একসঙ্গে পথচলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রুদ্রনীল। তাতেই নাকি রাজনীতির আঙিনায় রুদ্রনীল ‘ব্যাক ফুট’-এ। বন্ধুত্বে কি রাজনীতির ছায়া পড়া, প্রভাব ফেলা কাম্য? চটজলদি ছোট্ট জবাব এ বার, “কোনও কিছুতেই রাজনীতির ছাপ বা প্রভাব ফেলা কাম্য নয়। আবার এটাও ঠিক, বন্ধুত্ব খাঁটি হলে সেখানে কোনও কিছুই ছায়া ফেলতে পারে না।”