Advertisement
E-Paper

‘দেড় মাসের আলাপ’, ঘটনার আগেই শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে মেসেজ মাফিনের! উত্তর কি দেন চন্দ্রনাথ?

শুভেন্দু-চন্দ্রনাথ জুটিকে কাছ থেকে দেখেছেন। চন্দ্রনাথের সঙ্গে শেষ বার কী কথা হয় তাঁর? আনন্দবাজার ডট কমকে জানালেন অভিনেত্রী মাফিন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০২৬ ১৬:২৫
(বাঁ দিকে) চন্দ্রনাথ রথ, (ডান ডিকে) মাফিন।

(বাঁ দিকে) চন্দ্রনাথ রথ, (ডান ডিকে) মাফিন। ছবি: সংগৃহীত।

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে খবর। রাজ্যে পালাবদলের সন্ধিক্ষণে এই ঘটনার জেরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। চন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত তাঁর পরিবার ও শুভেন্দু-সহ দলে তাঁর ঘনিষ্ঠেরা। একই ভাবে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী মাফিনও। তিনি জানিয়েছেন, চন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর মাস দেড়েকের আলাপ। বুধবার রাতে চন্দ্রনাথ যে সময় গুলিবিদ্ধ হন বলে খবর মিলেছে, তার প্রায় আধ ঘণ্টা আগে তাঁকে মেসেজ করেছিলেন মাফিন। চন্দ্রনাথের সঙ্গে শেষ বার তাঁর কি কোনও কথা হয়েছিল? আনন্দবাজার ডট কমকে জানালেন অভিনেত্রী।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই চন্দ্রনাথের মরদেহ পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেই বাড়ির দিকেই রওনা দিয়েছেন মাফিনও। তিনি জানান, নির্বাচনের ঠিক মাস দেড়েক আগেই চন্দ্রনাথের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। শুভেন্দু অধিকারী মাফিনকে বিজেপিতে যোগদান করানোর সূত্রেই বাড়ে তাঁদের আলাপচারিতা। মাফিনের কথায়, ‘‘আসলে শুভেন্দু স্যর ও চন্দ্রনাথ খুবই ঘনিষ্ঠ। একে অপরের ছায়াসঙ্গী বলা যায়। স্যরের সঙ্গে সব সময়ে থাকতেন। ভীষণ নিয়ম মেনে চলা মানুষ। তবে অল্প কথা বলতেন। ভোটের আগে যখন পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপির হয়ে প্রচারে গিয়েছিলাম, আমার ক’টা গাড়ি লাগবে, কোন হোটেলে থাকব— সব কিছু চন্দ্রদা দায়িত্ব নিয়ে ব্যবস্থা করেছেন।’’

যদিও যে সময়ে চন্দ্রনাথের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে, ঠিক তার আধ ঘণ্টা আগে তিনি তাঁকে মেসেজে পাঠিয়েছিলেন। মাফিনের এখন মনে হচ্ছে, যে সময়ে তিনি মেসেজটা পাঠিয়েছিলেন, খুনটা হয়তো সেই সময়েই হয়েছিল! তিনি বলেন, ‘‘বুধবার রাতে আমি ওঁকে মেসেজ পাঠাই, আমি বিজেপি অফিসে গিয়েছিলাম— সেটা জানাতেই। আসলে দাদা তো নিজাম প্যালেসেই বেশির ভাগ থাকতেন। খুবই ভদ্রলোক ছিলেন। আফসোস হচ্ছে, দাদার কাছ থেকে আর উত্তরটা পেলাম না!’’

তবে চন্দ্রনাথের জন্য যেমন আবেগতাড়িত, তেমনই মাফিনের চিন্তা এখন শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়েও। অভিনেত্রী বলেন, ‘‘৪ মে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে চন্দ্রদা আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিলেন। পুরো কলকাতার দায়িত্ব ছিল ওঁর উপর। উনিই সবটা দেখতেন। শুভেন্দু স্যর কত লড়াই করে জায়গাটা পেয়েছেন। তাঁর জীবনের আনন্দের দিনে এমন একটা শোক! আমরা ভাবতেই পারছি না, তাঁর উপর দিয়ে কী যাচ্ছে?’’

Chandranath Rath Suvendu Adhikari Mafin Chakraborty
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy