অনিল কপূরের সঙ্গে বন্ধুদের মাধ্যমেই আলাপ হয়েছিল সুনীতার। সুনীতা তখন অন্যতম সেরা মডেল, দারুণ কাজ করছেন। অনিল ইন্ডাস্ট্রিতে তখন কাজ করার চেষ্টা করছেন। বন্ধুর থেকেই ফোন নম্বর নিলেন সুনীতার। সেখান থেকেই শুরু বন্ধুত্বের, সেটা গড়ায় প্রেমে। পাঁচ বছর সম্পর্কের পর, ১৯৮৪ সালের ১৯ মে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তাঁরা। বিয়ের পর থেকেই অনিলের স্টাইলিং ঠিক করা, পোশাক ডিজ়াইন করা সবটাই করতেন সুনীতা। তবে মডেলিংয়ের কাজ কমিয়ে দেন সুনীতা। সংসারের দায়িত্ব পড়ে সুনীতার কাঁধে। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে সুনীতার দেওয়া টাকা নিয়ে বাকি দিন কাটান অনিল।
অভিনেতা জানান, বাইরের লোকের চোখে খ্যাতনামী হলেও তিনি কিন্তু বাড়িতে আর পাঁচটা লোকের মতো। কাজে বেরোনোর আগে স্ত্রীর থেকে ১০ হাজার, কখনও ১৫ হাজার টাকা নিয়ে বেরোন। অনিলের কথায়, ‘‘বিয়ের পর থেকে এই নিয়মই চলছে। আমার মনে হয়, আমি স্ত্রীর থেকে হাতখরচ পাই। আসলে আমার স্ত্রী আমার সব কিছুর খেয়াল রাখে। কোন সিনেমায় কাজ করছি, কোন সিনেমার প্রচার চলছে— সবটা ও খেয়াল রাখে।’’
যদিও বিয়ের আগে যখন অভিনেতার কাজ ছিল না, সেই সময়েও তাঁর স্ত্রী যাবতীয় খরচ চালাতেন বলেই জানান অনিল। কারণ, তিনি বাড়ির লোকের থেকে টাকা নিতেন না।