পুজোর রেশ কাটেনি। তবে মিতিন মাসি তৈরি আগামী পুজোর জন্য। এ বছরের পুজোয় অন্যতম সফল ছবি ‘মিতিন মাসি’। এখনও রমরমিয়ে বিভিন্ন হলে চলছে ছবিটি। আগামী বছর পুজোয় আরও এক বার ব্যোমকেশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবে গোয়েন্দা মিতিন। এ বার শহরের গণ্ডি ছেড়ে সে পাড়ি দেবে দক্ষিণ ভারতের কেরলে। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ‘কেরালায় কিস্তিমাত’ অবলম্বনে একই নামে অরিন্দম শীলের মিতিন ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির আগামী ছবি। পরিচালক বললেন, ‘‘সিরিজ় করার কোনও পরিকল্পনা ছিল না। কারণ আগামী বছরের ছবির প্ল্যান আমার হয়ে গিয়েছে। তবে দর্শক আমাকে বাধ্য করলেন। পরের মিতিনের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির দর্শকের কাছ থেকে এত বেশি অনুরোধ পেয়েছি যে, বলার নয়।’’

অরিন্দম বলছিলেন, ‘‘ভ্রমণ কাহিনি ও থ্রিলার মিলেমিশে রয়েছে মিতিনের গল্পগুলোয়। বাংলা ছবিতে কেরলকে তুলে ধরা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি হলে প্রথমে ছোট স্কেলে করে, পরে বড় স্কেলে মিতিনকে দেখাব, সেটাই পরিকল্পনা ছিল।’’ আগের ছবির উইনিং টিমের উপরে ভরসা রাখছেন পরিচালক। এই ছবিতেও সঙ্গীত ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরের দায়িত্বে থাকছেন বিক্রম ঘোষ, সিনেম্যাটোগ্রাফিতে শুভঙ্কর ভড়, সম্পাদনায় সংলাপ ভৌমিক, মেকআপে সোমনাথ কুণ্ডু।

বক্স অফিস সাফল্যের আগেই মিতিন মাসি চরিত্রের পজ়িটিভ ভাইব ছবির টিমের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। নায়িকা কোয়েল মল্লিক বললেন, ‘‘আগেই জানতাম, আমরা উইনিং টিম। যে প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করেছিলাম, হল ভিজ়িটে গিয়ে দর্শকের মুখে সেই কথাই শুনেছি, ‘আমরাও মিতিন হতে চাই’।’’ কেরল এক্সপ্লোর করার জন্য হাতে এ বার সময় রাখছেন কোয়েল। ‘‘এর আগে চার দিনের শুটিংয়ে গিয়েছিলাম কেরল। এ বারে যেহেতু অনেক দিনের ব্যাপার, আগেভাগেই প্ল্যান করে রাখছি,’’ বললেন অভিনেত্রী।

মিতিনের স্বামী পার্থ ও বোনঝি টুপুরের চরিত্রটিও এই ছবিতে আরও বেশি উন্মোচিত হবে। তবে ছবির বাকি কাস্ট এখনও চূড়ান্ত নয়।