মুখের মধ্যে অনেক মুখোশ। সেই  মুখোশের নীতি একটাই, সমাজে যা-ই হোক, আমার পরিবার, আমি, সরাসরি কোনও আক্রমণের সম্মুখীন না হলে কোনও অন্যায়ের বিরুদ্ধে বা ন্যায়ের পাশে দাঁড়াব না।
মন বদলের সমাজ আর এই ধারার মানুষ নিয়ে বারো মিনিটের শর্ট ফিল্ম তৈরি করেছেন অরুণাভ মিদ্দ্যা। ‘কহানি টু’ থেকে ‘অন্দরকাহিনি’— ইতিমধ্যেই অভিনেতা হিসেবে নিজের পরিচয় দিয়েছেন অ্যাড ফিল্মের এই কার্যনির্বাহী প্রযোজক। গঙ্গার পাশে একটি গাছ থেকে দড়িতে ঝুলে থাকা মানুষের মৃতদেহ। সবাই তার পাশ দিয়ে গেলেও কেউ ফিরে তাকায়নি। অবশেষে এক পাগল সেই মৃতদেহ উদ্ধারে তৎপর হয়েছে। আর এক বারবণিতা এসেছে তার সঙ্গে। সমাজের প্রান্তিক মানুষের মধ্যেই কি তবে মনুষ্যত্ব বেঁচে আছে? এই প্রশ্ন খুঁজছেন পরিচালক ‘দ্য ইন্যাপ্ট’, তাঁর স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতে।
‘‘ছবি দেখে বিষয়বস্তুর সঙ্গে এতটাই একাত্ম হয়েছিলাম যে সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতের গুরুত্ব বুঝে ছবিটা প্রেজেন্ট করতে রাজি হই,’’ বললেন অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী দত্ত। প্রদীপ চক্রবর্তী থেকে পারমিতা চৌধুরী, অভিজ্ঞ থেকে নবাগতা অভিনেতারা এই ছবিতে কাজ করেছেন। ‘‘বর্তমান অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরতেই এই ছবি।’’ বললেন পরিচালক অরুণাভ মিদ্যা। থিয়েটার দলের এক জন কর্মী হিসেবে অভিনেতা, পরিচালক চন্দন সেনের ভাবনা তাঁকে প্রভাবিত করেছিল, জানালেন অরুণাভ।

আরও পড়ুন, ‘আমরা কি যমজ নাকি?’ উত্তরে যা বললেন অনুষ্কা

‘‘এক জন পরিচালক হিসেবে বুঝেছি যে এই বিষয় নিয়ে ছবি করা খুব শক্ত। ছবিটা দেখে আমার ভাল লেগেছে।’’ বললেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়।
আনন্দলোক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছিল এই ছবি।
রোজ ঘটতে থাকা মৃত্যু নিয়ে মানুষ আজ অবিচলিত। ‘দ্য ইন্যাপ্ট’ সেই সত্যের সামনে মানুষকে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে।

(কোন সিনেমা বক্স অফিস মাত করল, কোন ছবি মুখ থুবড়ে পড়ল - বক্স অফিসের সব খবর জানতে পড়ুন আমাদের বিনোদন বিভাগ।)