তাঁর ব্যাগ থেকে ১৪ বোতল বিদেশি মাদকদ্রব্য পাওয়া গিয়েছে। এই অভিযোগ বাংলাদেশের অভিনেত্রী মেহজ়বীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তিনি যদিও শুরু থেকে পুরোটাই অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার অভিনেত্রীর বার্তা, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে তিনি আইনি পদক্ষেপ করতে চলেছেন।
একই সঙ্গে মেহজ়বীন প্রশ্ন রেখেছেন, “আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু বার হওয়ার কোনও ছবি, ভিডিয়ো বা কোনও ধরনের প্রমাণ আছে?”
মাদকদ্রব্য দূরের কথা, অন্য কোনও কারণেও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাঁকে আটক করেননি বলে দাবি বাংলাদেশের অভিনেত্রীর। সেই বার্তা তিনি লিখিত ভাবে দিয়েছেন। মেহজ়বীন লিখেছেন, “উল্লিখিত কোনও ঘটনায় আমাকে কখনওই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনও হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি। আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যে সব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সে রকম কোনও ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনও কর্মকর্তা আমাকে কোনওরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।” তাঁর সাফ দাবি, সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের মানহানিকর প্রচার করা হচ্ছে।
অকারণে বারে বারে অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে মেহজ়বীনকে। কখনও ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে, কখনও বেআইনি মাদকদ্রব্য রাখার কারণে। কেন বারে বারে তাঁর সঙ্গে এ রকম ঘটনা ঘটছে? সাধারণের মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। তার উত্তরও তিনি দিয়েছেন। অভিনেত্রী লিখেছেন, “দুর্ভাগ্যজনক ভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে, আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।”