রানি মুখোপাধ্যায় ও সইফ আলি খান দু’জনেই পেশাদার অভিনেতা। দু’জনেই পর্দায় একাধিক অভিনেতা অভিনেত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। রানি মুখোপাধ্যায় অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ‘বান্টি বাবলি’ ছবিতে চুম্বনের দৃশ্যে অভিনয় করেছেন। সইফ আলি খানও প্রীতি জ়িন্টা থেকে দীপিকা পাড়ুকোনরে মতো অভিনেত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন পর্দায়। কিন্তু রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে চুম্বনের দৃশ্যে অস্বস্তিতে পড়েন। শুধু তাই নয়, রানিও সইফের সঙ্গে চুম্বনের দৃশ্যে আপত্তি জানান।
আরও পড়ুন:
২০০৪ সালে মুক্তি পায় ‘হম তুম’ ছবিটি। এই ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান সইফ। এই ছবি অভিনেতা সইফের কেরিয়ারের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়। এই ছবিতে রানি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর রসায়ন নজর কাড়ে, প্রশংসিত হয় দর্শকমহলে। এরপর জুটি বেঁধে তাঁরা বেশ কিছু ছবিও করেন। কিন্তু এই ছবি করার সময় সইফ ও রানি একের অপরের সঙ্গে নাকি সেভাবে কথা পর্যন্ত বলতেন না। এমনটাই জানান পরিচালক কুণাল কোহলি। তিনি আরও জানান, সইফ ও রানি নাকি একে অপরকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। চুম্বনের দৃশ্য শুটিংয়ের আগে রানি মুখোপাধ্যায় সইফকে বলেছিলেন, “তুমি পরিচালককে বলে দাও, তুমি আমাকে চুম্বন করতে চাও না।” রানির কথায় সহমত পোষণ করেননি সইফ। উত্তরে বলেন, “আমি এটা করতে পারব না। আমার বস্ বলেছেন, ছবির জন্য এই দৃশ্য প্রয়োজনীয়। তাই আমাদের এটা করা উচিত।”
‘হম তুম’ ছবির দৃশ্যে রানি ও সইফ।
যদিও শেষমেশ রাজি হন রানি। শর্তে ছিল একবারে টেক করতে হবে। সমুদ্র জলের একে অন্যের মধ্যে ডুবে যাচ্ছেন সইফ ও রানি। সেই সময় হবে চুম্বনের দৃশ্য। কুণালের কথায়, ‘‘ চুম্বনের সময় রানি হেসে ফেলে, সম্পাদনার সময় বোঝা যায় গোটাটা। আমি বলবে সিনেমার ইতিহাসে সব থেকে খারাপ চুমু ছিল ওটা।’’ সইফ সেই সময় এক সাক্ষাৎকারে জানান, রানি চুম্বনের দৃশ্যের সময় অস্বস্তিতে ছিল জেনে তাঁর অস্বস্তি বেড়ে যায়।