সই নিয়ে জটিলতার মধ্যে পড়তে হল চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শপথের সময়ে নয়নার সই এবং বিধানসভার হাজিরা খাতায় তাঁর সইয়ে অসঙ্গতি রয়েছে বলে বিধানসভার তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল হেয়ার স্ট্রিট থানায়। তার ভিত্তিতেই নয়নার বাড়িতে গেল সিআইডির দল।
বিধানসভা সূত্রে খবর, সইয়ের অসঙ্গতি নিয়ে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতেই তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ। লালবাজারকে হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ দিয়ে সাহায্য করে সিআইডি। সেই সূত্রেই সিআইডির দলটি নয়নার বাড়িতে গিয়েছিল।
আরও পড়ুন:
-
বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভ্রাতৃবধূ জুঁই! কবে এমন সিদ্ধান্ত, তা-ও জানিয়ে দিলেন
-
কল্যাণের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি সতীর্থ কাকলির, মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করতে চাইলেন অনুমতি
-
অরূপ-সুশান্তদের ইস্তফা নিয়ে অভিষেককে নিশানা কল্যাণের! নারদ মামলা নিয়ে কাকলিকেও কটাক্ষ, তৃণমূলে কাদা ছোড়াছুড়ি
প্রথমে বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়নার বাড়িতে যায় সিআইডির দল। সেই সময়ে নয়না বাড়িতে ছিলেন না। তার পর তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা হয় সিআইডির আধিকারিকদের। সন্ধ্যায় নয়না বাড়ি ফেরার পরে ফের দলটি পৌঁছোয় নয়নার তালতলার বাড়িতে। সূত্রের খবর, যে দলটি এসেছিল তাতে দু’জন মহিলা এবং চার জন পুরুষ ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এক জন ভিডিয়োগ্রাফার। তাঁর প্যান কার্ডের ছবিও তাঁরা তুলে নিয়ে যান। নয়নার কথায়, ‘‘আমি পাঁচ বারের বিধায়ক। এটা আমার কাছে অসম্মানজনক। আমি গোটা বিষয়টা বিরোধী দলনেতাকে জানিয়েছি।’’
সূত্রের খবর, শপথের দিন নয়না প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের সামনে যে সই করেছিলেন, তার পর অধিবেশনের হাজিরা খাতায় যে সই করেন, তার মধ্যে ফারাক রয়েছে। সেই অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে। নয়না জানিয়েছেন, গোটা ঘটনা তিনি পরিষদীয় দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েছেন। শোভনদেব বলেন, ‘‘নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা না বলে এই বিষয়ে আমি কিছু বলব না।’’