কপালে চন্দন আঁকা। লাল বেনারসীতে সেজে নতুন কনে। বিয়ের সাজে অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্যের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই আলোচনা টলিপাড়ার অন্দরে। ‘সংসারের সংকীর্তন’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে অনেক দিন পরে ছোটপর্দায় অভিনেত্রী। বিপরীতে সৌরভ দাস।
সম্প্রতি, শ্রীতমা এবং সৌরভের জুটি নিয়েও বিপুল আলোচনা হয়েছে। শোনা যায়, তাঁরা নাকি বাস্তবে সম্পর্কে ছিলেন। এমনকি আলোচনা হয়েছে, সম্পর্ক ভাঙার পরেই পর্দায় স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তাঁরা। যদিও এখনও পর্যন্ত নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি তাঁরা। সেখানে এই আলোচনা কি আদৌ প্রভাব ফেলে শিল্পীদের উপরে? যদিও শ্রীতমা এই মুহূর্তে কাজেই মন দিতে চান।
আরও পড়ুন:
শ্রীতমাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘তেঁতুল পাতা’ ধারাবাহিকে। তার পরে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কয়েক মাস কাজ করেননি। ‘সংসারের সংকীর্তন’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে আবার মন দিয়ে কাজ করতে চান। অভিনেত্রী বলেন, “আমি অনেক দিন পরে ধারাবাহিকে অভিনয় করছি। তাই খুব মন দিয়ে কাজ করতে চাই। এত ভাল টিম পেয়েছি। আর পেশাদার শিল্পী হিসাবে ভাল অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শককে বিনোদন দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাই বা নেতিবাচক, কোনওটাতেই বাস্তবে আমি উচ্ছ্বসিত হই না।”
সৌরভ এবং শ্রীতমার সম্পর্ককে কেন্দ্র করেও অনেক আলোচনা চলছে। প্রসঙ্গ উঠতেই শ্রীতমার স্পষ্ট উত্তর, “আমি কোনও দিন নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করিনি। যেটুকু দর্শককে দেখাতে চেয়েছি, ততটুকুই দেখিয়েছি। আর সম্পর্ক গড়া বা ভাঙা নিয়ে তো কথাই বলিনি। তাই এই বিষয়ে আমি কোনও উত্তর দিতে চাই না।” তবে ধারাবাহিকে অভিনেত্রীর বিয়ের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। শ্রীতমা জানিয়েছেন, বাস্তবে তিনি বিয়ে করলে যে সকলে জানতে পারবেন, এমনটা নয়। বরং লোকচক্ষুর আড়ালেই সবটা রাখতে চান তিনি।
অভিনয় ছাড়াও রাজনৈতিক ভাবেও খুবই সক্রিয় অভিনেত্রী। শ্রীতমা যোগ করেন, “গণতন্ত্র প্রয়োগ করার অধিকার সকলের আছে। দিনের শেষে তো আমরা শিল্পী। আর আমি মনে করি, শিল্পীদের কোনও রং হয় না। যখন কোনও ব্যক্তি শিল্পীসত্তা যাপন করেন, সেখানে রাজনীতিকে বাইরে রেখে আসা উচিত। শিল্পজগতে রাজনীতি নিয়ে কথা বলা কাম্য নয়।” তাই অভিনেত্রী যখন ধারাবাহিক বা অভিনয়জীবন নিয়ে কোথাও কথা বলেন, তখন নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শকে টেনে আনতে চান না। এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর ধারাবাহিকে জামাইষষ্ঠীর শুটিং চলছে। ফলে গোটা সেট ব্যস্ত সেই কাজ নিয়েই।