×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৩ জুন ২০২১ ই-পেপার

‘পছন্দসই কাউকে পেলে বিয়ে করব’

রূম্পা দাস
১৭ জুন ২০১৯ ০০:০১
চন্দন

চন্দন

একে বাঙালি অভিনেতা, তায় কলকাতায় এসেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই মুখ ফস্কে বেরিয়ে এসেছিল, ‘‘বাংলায় কথা বলি?’’ সঙ্গে সঙ্গে মিলেছিল তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত সায়। তার পরে কফিতে চুমুক দিয়ে চন্দন রায় সান্যাল গোটা সাক্ষাৎকারই দিলেন বাংলায়।

চন্দনের প্রথম বড় ব্রেক, ‘রং দে বসন্তী’তে বটুকেশ্বর দত্তের চরিত্র। তার পরে কেটে গিয়েছে এক যুগ। বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন। কিন্তু স্ট্রাগল কি শেষ হয়েছে? ‘‘কাজ পাওয়ার জন্য আর স্ট্রাগল করতে হয় না। অনেকেই নিজে থেকে ফোন করে। কিন্তু এখন শিল্পী সত্তার স্ট্রাগল চলে। অভিনেতা হিসেবে নিজেকে কোথায় দেখতে চাই, কী ছবি করতে চাই,’’ জবাব তাঁর। কথাপ্রসঙ্গে চন্দন বলছিলেন, বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছে। কিন্তু তাতে হতাশ লাগে না? ‘‘আগে অনেক ভাবতাম। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে যেটুকু জ্ঞান অর্জন করেছি, তাতে বুঝি, এটাই জীবন। আগে কোনও ছবি ভাল না চললে ভাবতাম, কোথায় ভুল হল। এখন জানি, সেই পর্যায় কাটিয়ে আবার নতুন পর্যায় ফিরে আসবে,’’ স্পষ্ট জবাব তাঁর।

চন্দনের এক এক ছবিতে এক এক রকম লুক। কখনও ‘জব হ্যারি মেট সেজ়ল’-এ ভিলেন, কখনও আবার ‘শেফ’-এর কমবয়সি রাঁধুনি। চন্দনের কাছে এটাই এখন ইউএসপি। তবে সমাদর, তা তিনি কতটা পেয়েছেন? ‘‘আমি অনেক বার ভেবেছি এ নিয়ে। চেষ্টাও করেছি। কিন্তু হয়নি। আমার ক’টা ফলোয়ার বাড়ল, ক’জন লাইক করল, কী ভাবে সেই সংখ্যা বাড়াব, সেটা নিয়ে ভাবি না। নিজের কাজ নিয়েই খুশি থাকতে চাই। সমাদর পাওয়ার রহস্যটা ঠিক জানা নেই।’’

Advertisement

বিশাল ভরদ্বাজ, নিখিল আডবাণী, নন্দিতা দাসের মতো পরিচালকের সঙ্গে কাজ করে শিখেছেন অনেক। মুক্তি পেতে চলেছে ‘জাবারিয়া জোড়ি’ও। কিন্তু বাংলা ছবি? ‘মহানগর @ কলকাতা’, ‘অপরাজিতা তুমি’, ‘গণেশ টকিজ়’-এর পরে কি বাংলা ইন্ডাস্ট্রি আপনাকে ভুলে গিয়েছে? ‘‘কী জানি!’’ হেসে ফেললেন চন্দন, ‘‘কলকাতায় মধুজা মুখোপাধ্যায়ের ‘ডিপ সিক্স’-এ কাজ করছি। সৌকর্য ঘোষালের ‘রক্ত রহস্য’ আসছে। আসলে কোনও কিছু নিয়েই খুব বেশি ভাবি না,’’ জবাব তাঁর। ইনস্টাগ্রামে চন্দনের বায়োতে লেখা ‘আনএমপ্লয়েড’। এত কাজের পরেও নিজেকে এমন বলেন? ‘‘বছরে ১০০ দিন কাজ করি কি না, সন্দেহ আছে। বাকি সময়টা ঘুরে, বেরিয়ে, খেয়ে, আলস্যে কাটাই!’’ আর বিয়ে? চন্দন বলছেন, ‘‘এমনটা নয় যে, কাউকে ডেট করছি। আবার বিয়ে করতে চাই না, তা-ও নয়। কিন্তু যদি কখনও কাউকে দেখে মনে হয় যে তক্ষুনি বিয়ে করতে পারি, তখন দু’বার ভাবব না!’’

Advertisement