২০২১ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ দিনের বন্ধু ও প্রেমিক বৈভব রেখির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। সম্পূর্ণ বৈদিক মতে বিয়ে হয় তাঁদের। বিয়েতে ছিল না কন্যাদান প্রথা। বিয়ে দিয়েছেন এক মহিলা আইনজীবী। ২০১৪ সালে ব্যবসায়ী শাহিল সঙ্ঘকে বিয়ে করেছিলেন দিয়া। কিন্তু সেই দাম্পত্য টেকেনি। ৫ বছর পরে ২০১৯ সালে বিবাহবিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেছিলেন তাঁরা। তার পর বৈভবের সঙ্গে প্রেম। যদিও এই বিয়েতে দিয়ার প্রয়োজন ছিল বৈভবের আগের পক্ষের মেয়ে সামাইরা রেখির সম্মতির। দিয়া সাফ জানান, সামাইরা সম্মতি না দিলে বিয়ে করতেন না তিনি।
আরও পড়ুন:
দিয়া জানান, সম্পর্কের শুরুর দিন থেকে বৈভব এই সম্পর্কের মাঝে রেখেছিল নিজের মেয়ে সামাইরাকে। সেই কারণে সামাইরারও একটা সম্মতির প্রয়োজন ছিল। দিয়ার কথায়, ‘‘সামাইরা যদি সম্পর্কের শুরুর দিকে আমাকে প্রত্যাখ্যান করত, আমাদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ হত। যদি সামাইরা বেঁকে বসত তা হলে এই বিয়েটাই করতাম না। আমি খুব ছোট বয়সে আমার বাবাকে হারিয়েছি। আমি জানি, এই বেদনাটা কেমন হয়। আর সম্পর্কের শুরু থেকে সামাইরার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়েছে বৈভব। তাই দায়িত্বটা ওর কাঁধেই ছিল, ও আমাদের পরিবার হিসাবে দেখাতে চায় কি না।’’ তবে সামাইরা সাদরে দিয়াকে গ্রহণ করেছেন। বিয়েতে যেমন সামাইরা সর্বক্ষণ দিয়ার পাশে ছিল, মধুচন্দ্রিমাতেও সৎমেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যান দিয়া।
সম্পর্কে মা-মেয়ে হলেও তাঁকে সামাইরা ‘মা’ বলে সম্বোধন করে না। এমনকি, সামাইরার দেখাদেখি নিজের ছেলে আভ্যানও একই কাজ করে বলে জানান তিনি। দিয়া বলছেন, ‘‘সামাইরা আমায় ‘মা’ বলে কখনও ডাকেনি। আমারও কোনও প্রত্যাশা নেই যে, ও আমায় ‘মা’ সম্বোধন করবে। ওর নিজের মা রয়েছে, যাঁকে ও ‘মা’ বলেই ডাকে। সামাইরা আমায় ‘দিয়া’ বলে। আর সেটা দেখে আভ্যানও আমায় মাঝে মাঝে ‘দিয়া’ বলে ডাকে। আবার কখনও ‘দিয়া মম্’ বলে ডাকে। খুব মজার!’’