প্রায় ১০ দিন হয়ে গেল। এখনও হাসপাতালে বর্ষীয়ান পরিচালক তরুণ মজুমদার। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন পরিচালক। এই কথা পাঠকদের আগেই জানিয়েছিল আনন্দবাজার অনলাইন। বর্তমানে ঠিক কী অবস্থা? সোমবার রাতেই খুলে দেওয়া হয়েছে রাইলস টিউব। গলায় ব্যথা আছে। কথা বলতে পারছেন না। কিন্তু লিখে মনের ভাব প্রকাশ করার চেষ্টা করছেন।
ক্রিয়েটিনিনও কিছুটা কমেছে। মঙ্গলবার বিকেলের দিকে ‘এমআরআই’ করা হবে। তবে তন্দ্রাচ্ছন্নভাব কেটেছে অনেকটাই। রয়েছেন এখনও ‘সিসিইউ’-তেই। এখনই উডবার্ন ওয়ার্ডে তাঁকে দেওয়ার কথা ভাবছেন না চিকিৎসকরা।
সোমবার বিকেলের রিপোর্ট অনুযায়ী, কিছুটা স্বস্তি। তবে বিপদ যে পুরোপুরি কেটে গিয়েছে,তা বলা যায় না। এখনও কিডনির সমস্যা রয়েছে। বয়স যেহেতু অনেকটাই হয়েছে তাই ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে থাকা কঠিন। ডায়ালিসিস আর হয়নি। তিন দিন আগেও অবস্থা ছিল বেশ সঙ্কটজনক। শুক্রবার ডায়ালিসিসও হয়েছিল। নেফ্রোলজি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, মেডিসিন এবং হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ-সহ পাঁচ চিকিৎসক দলের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন পরিচালক।
অবশেষে কিছুটা আশার আলো। দফায় দফায় তাঁকে দেখতে আসছেন শহরের বিশিষ্ট মানুষেরা। বৃহস্পতিবার নবান্ন যাওয়ার পথে পরিচালককে দেখে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে বিমান বসু, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়দের মতো রাজনীতিকরাও পরিচালককে দেখতে হাসপাতালে যান বলে খবর।