২০২৫-এর ডিসেম্বরের ঘটনা। ৩০ কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় রাজস্থান পুলিশ গ্রেফতার করেছিল পরিচালক বিক্রম ভট্টকে। ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারিতে জামিন পান তাঁরা। উদয়পুরের সংশোধনাগারে নাকি বিভীষিকাময় দিন কাটিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি সেই কাহিনিই শোনালেন বিক্রম। জানুয়ারির তীব্র ঠান্ডায় কী অবস্থা হয়েছিল তাঁর?
বিক্রম সমাজমাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতার কথাই ভাগ করে নেন। এমনই এক শীতের রাতে মারাত্মক জ্বর এসেছিল তাঁর। চারটে কম্বল জড়িয়েও শীত কমছিল না তাঁর। পরিচালক লেখেন, “কম্বল জড়ানোর পরেও কাঁপছিলাম। পরের দিন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটা থার্মোমিটার পর্যন্ত ছিল না। তার পরে চিকিৎসকেরা জানান, আমার এক ধরনের অটোইমিউন ডিজ়িজ় হয়েছে। বাইরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বললেও কেউ কোনও পদক্ষেপ করেনি।”
আরও পড়ুন:
পরিচালক জানান, ওই অসুখের জন্য বেশি জ্বর হওয়াও ভয়ের লক্ষণ। জেল কর্তৃপক্ষের কেউ কোনও পদক্ষেপ করেননি। দীর্ঘদিন তাই অসুস্থতার ব্যথা, যন্ত্রণায় কাটাতে হয়েছিল তাঁকে। অসুস্থ হওয়ার প্রায় ১৫ দিন পরে পুলিশের টনক নড়ে। তার পরে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। পরিচালক যোগ করেন, “পুলিশকে প্রশ্ন করা হলে তারা জানায়, জরুরি অবস্থা হলে অবশ্যই আগে নিয়ে যাওয়া হত।”
প্রায় প্রতি দিন ভগবানের কাছে পরিচালক প্রার্থনা করতেন কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটুক, আর শীঘ্রই তাঁর সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাক।