বর্তমানে মুম্বইয়ের বিলাসবহুল বাংলোয় থাকেন জাভেদ আখতার ও শাবানা আজ়মি। কিন্তু একসময়ে পরিস্থিতি এমন ছিল না। ফুটপাথে রাত কাটিয়েছিলেন জাভেদ। এমনকি, তিন দিন না খেয়েও কাটিয়েছিলেন। সেখান থেকে এমন বাড়িতে থাকার অভিজ্ঞতা কেমন?
সম্প্রতি জাভেদ-শাবানার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন ফরাহ খান। নিজেদের বিলাসবহুল বাড়ি তাঁকে ঘুরে দেখান জাভেদ। খান্ডালায় এই বাংলো ঘিরে রয়েছে বিরাট বাগান। বড় বড় সবুজ গাছে মোড়া সেই বাগানের কেন্দ্রে একটি ফোয়ারা।
বাইরে থেকে দেখা যায়, বাড়ির ছাদটি কাঠের তৈরি। ব্রিটিশ আমলের বাড়িগুলির মতো তৈরি এই বাংলো। বাড়ির অন্দরসজ্জাও হয়েছে পুরনো ঐতিহ্যমাখা আসবাব দিয়ে। বাংলোর বসার ঘরে দেশবিদেশের জিনিস দিয়ে সাজিয়েছেন শাবানা ও জাভেদ। বাড়িতে বিরাট বিরাট দরজা ও জানলা আর রয়েছে নজরকাড়া বিরাট একটি ডাইনিং টেবিল। কিন্তু একসময়ে এগুলোই স্বপ্নের মতো মনে হত জাভেদ আখতারের।
আরও পড়ুন:
জাভেদ ও শাবানা এই বাড়ি কিনেছিলেন ১৫ বছর আগে। বাড়ির সামনে একটি ১৫০ বছরের পুরনো গাছ তাঁদের নজর কেড়েছিল। তবে এই বাড়ি কী ভাবে সাজাবেন তা নিয়ে নাকি প্রায়ই শাবানার সঙ্গে তর্কাতর্কি লেগে থাকত।
জাভেদ জানান, একটা সময়ে তিনি ফুটপাথে ঘুমোতেন। অভুক্ত থেকে ‘ভুক’ নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন। জাভেদের কথায়, “আমি মাঝেমধ্যে ভাবি, সত্যিই কি এই বা়ড়িতে আমি থাকছি? আসলে জীবনে বিরাট বড় বড় বাড়িতেই আমরা থাকতে পারি। কিন্তু সারা জীবন একটি বিশেষ ঘরের কথাই আমাদের মনে থেকে যায়।”