তারকাদের জন্য নাজেহাল অবস্থা হয় প্রযোজকদের। নিজেদের সুবিধার্থে প্রযোজকদের আর্থিক ভাবে শোষণ করেন তাঁরা, কয়েক মাস আগে এমনই দাবি করেছিলেন আমির খান। প্রায় একই মত তাঁর ভাগ্নে ইমরান খানের। সম্প্রতি বলিউ়ডে প্রত্যাবর্তন হয়েছে তাঁর। তিনিও জানিয়েছেন, কয়েক জন তারকার চাহিদার জেরে ছবির বাজেট দ্বিগুণ হয়ে যায়।
কোনও ছবিতে বড় মাপের তারকা থাকলে, দর্শকও বেশি আসবে। সেই তারকার সামান্য অধিক চাহিদা থাকবে, এই বিষয়ে সহমত ইমরান খান। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তা আর্থিক শোষণের জায়গায় পৌঁছে যায় বলে দাবি তাঁর। অভিনেতার কথায়, “আমরা এখন এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছি, যেখানে তারকারা গোটা সিস্টেমকেই শোষণ করেন।” কিন্তু নিজের মামা অর্থাৎ আমিরের ক্ষেত্রে এমনটা দেখেননি তিনি। তাঁর মামা বরং ছবিতে বিনিয়োগ করেছেন। ইমরানের কথায়, “নিজের পকেট থেকে ছবির জন্য টাকা বার করে দিতে হবে, এমন আমি বলছি না। কিন্তু আমি মনে করি ছবির প্রতি কিছু দায়িত্ববোধ থাকা উচিত।”
আরও পড়ুন:
কোনও ছবির ৩০ কোটি টাকার বাজেট। কিন্তু ছবিতে নায়ক হয়তো ৪০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক চাইছেন। সে ক্ষেত্রে ছবির বাজেট গিয়ে দাঁড়ায় ৭০ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ছবির তৈরির থেকে ছবির নির্দিষ্ট একজন তারকার পিছনে বেশি খরচ করতে হয় প্রযোজককের। এমন দেখেছেন ইমরান। আমিরের প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, “কিন্তু আমার মামা নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কখনও কিছু নেননি। ছবি সফল হওয়ার পরে হয়তো প্রাপ্য বুঝে নিয়েছেন। উনি কখনওই বলবেন না, আমাকে ৬০ কোটি বা ৭৫ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দিন। এটা সম্পূর্ণ মূর্খামি। নিজের ছবিকেই পঙ্গু করে দেওয়া।” ছবির উপর বিশ্বাস থাকলে, তারকারা এমন করেন না। তাই আগেভাগেই নিজের চড়া অঙ্কের পারিশ্রমিক বুঝে নেন।