কাছের বান্ধবীর প্রাক্তন স্বামীকে বিয়ে করেছিলেন। কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল হংসিকা মোটওয়ানীকে। সেই বিয়েও শেষপর্যন্ত স্থায়ী হয়নি। সম্প্রতি আইনি বিচ্ছেদ হয়েছে হংসিকা ও সোহেল খতুরিয়ার। হংসিকা নাকি এক টাকাও খোরপোশ নেননি। বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে কি কোনও ক্ষোভ বা আফসোস রয়ে গিয়েছে তাঁর?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিচ্ছেদ নিয়ে খোলাখুলি কথা বললেন হংসিকা। তাঁর স্পষ্ট জবাব, তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের খবর ব্যবহার করে সমাজমাধ্যমে অনেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কেন বিচ্ছেদের পথে হাঁটলেন? সেই প্রসঙ্গে হংসিকা বলেন, “আমি কোনও ব্যাখ্যা দিইনি। ভবিষ্যতেও দেব না। কারণ, আমার কিছুই যায় আসে না। আমার কোনও অনুশোচনা বা আক্ষেপও নেই। ভুল ট্রেনে উঠে পড়লে, নেমে পড়তে হবে। না হলে আরও বেশি ভোগান্তি।”
নিজের সিদ্ধান্ত নিয়েও সন্তুষ্ট হংসিকা। বিচ্ছেদের পর থেকে মনও ভাল রয়েছে তাঁর। কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার পাশে ছিল এবং সাহস জুগিয়েছে বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে হংসিকার মা ও ভাই এই সময়ে তাঁর পাশে ছিলেন। বিচ্ছেদ মানেই সব শেষ নয়। এর পরেও তাঁর ভাল থাকার অধিকার রয়েছে— এই পরামর্শ বার বার তাঁর মা ও ভাই দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
যদিও হংসিকার আইনজীবী বিচ্ছেদের কারণ হিসাবে আদালতকে জানিয়েছিলেন, বিয়ের পরে দম্পতি খুব কম সময়ের জন্য একসঙ্গে ছিলেন। সময়ের সঙ্গে তাঁরা বুঝেছেন, তাঁদের দু’জনের মধ্যে নানা বিষয়ে পার্থক্য রয়েছে। জীবনযাপন থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত, আচরণ, সর্বত্রই নাকি তাঁদের মধ্যে নানা পার্থক্য রয়েছে। খুব ছোটখাটো বিষয় নিয়েই নাকি তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি লেগেই থাকত। কিন্তু শেষপর্যন্ত সমীকরণ এমন জায়গায় পৌঁছোয়, এক ছাদের নীচে থাকা তাঁদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে।
হংসিকাকে বিয়ে করার আগে রিঙ্কি বজাজের সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন সোহেল। রিঙ্কি ও হংসিকা সম্পর্কে ভাল বন্ধু ছিলেন। কিন্তু পরে হংসিকা বান্ধবী রিঙ্কির প্রাক্তন স্বামীকে বিয়ে করেই কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন। সমালোচিত হয়েছিলেন সোহেল নিজেও।